ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়ালোমৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭৪-এপ্রতিমুহূর্তেই এখন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছেদেশে চিহ্নিত হয়েছে ১০টি করোনা হটস্পট

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ৪৭৮টি নতুন কোভিড-১৯ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ভারতে এর আগে একদিনে এত বাড়েনি আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যে শুধু দিল্লি থেকেই ৬৭ টি ঘটনার খবর এসেছে। এরফলে এদিন ভারতে নিশ্চিত নভেল করোনভাইরাস-এ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২,৬৪০-এ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১৯২ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। আর, এদিন পর্যন্ত এই রোগে ভারতে মৃতের সংখ্যা ৭৪ জন। আর এক বিদেশী রোগী দেশ ভারত ত্যাগ করেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সারা দেশে মোট দশটি জায়গা করোনাভাইরাস সংক্রমণের হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হ'ল দিল্লির নিজামুদ্দিন এবং দিলশাদ গার্ডেন, উত্তরপ্রদেশের নয়ডা এবং মেরঠ, রাজস্থানের ভিলওয়ারা, গুজরাতের আহমেদাবাদ, কেরলের কাসারগড় এবং মথিত, মহারাষ্ট্রের মুম্বই ও পুনে। এই জায়গাগুলিতে আরও বেশি করে পরীক্ষা করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন করা হবে।

এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেই রাজ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৪২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর মৃত্যু হয়েছে, ২১ জনের। সংক্রমণ রোধ করতে মহারাষ্ট্র সরকার রাজ্যের ৩০টি সরকারি হাসপাতালকে কোভিড -১৯ হাসপাতাল হিসাবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে মোট ২,৩০৫ গুলি শয্যা তৈরি হয়েছে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের জন্য়। দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্য তামিলনাড়ু। এই রাজ্যে আক্রান্ত ৩০৯ জন, আর মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। তিন নম্বরে আছে কেরল। সেখানে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ২৮৬ ও ২।

গত ২৪ ঘন্টায় ৮,০০০ জনের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিএমআর। এছাড়া, করোনভাইরাস নির্ণয়ের জন্য দেশে ১৮২টি গবেষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০টি সরকারি, বাকিগুলি বেসরকারি উদ্যোগে স্থাপিত।

লকডাউনই জন্ম করোনা আর কোবিডদের, আলাপ করুন তাদের সঙ্গে

করোনা-রোধে হল না সরায়ুর অমৃত আহরণ, অযোধ্যায় 'ইন্দিরা' অভিশাপে বিদ্ধ মোদী ও যোগী

ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের ওপর স্প্রে, যোগীর রাজ্য নিয়ে সরব স্বস্তিকা

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম-সচিব লভ আগরওয়াল ভারতে করোনাভাইরাস-এর আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়ার পিছনে তাবলিগি জামাতের জমায়েতকেই দায়ি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ২দিনে এই জমায়েতে থাকা ৬৪৭ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অসম, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ - ১৪টি রাজ্যে এই জমায়েত থেকে ফিরে যাওয়া মানুষদের দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।