যে গতিতে গোটা দুনিয়ায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে তাতে ক্রমেই চিন্তার ভাজ মোটা হচ্ছে বিশ্ববাসীর। ২০০টিরও বেশি দেশে মারণ সংক্রমমের অস্বিস্ত পাওয়া গিয়েছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল রেখে প্রতিদিনই এদেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২দিনে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৬দিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৩১৪। এখনও পর্যন্ত রাজ্যভিত্তিক সংক্রমণের পরিসংখ্যানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিকে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮১। একা মুম্বইতেই করোনা আক্রান্ত ৪০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্র ছাড়াও করোনা সংক্রমণের সবচেয়ে বেশি কেস পাওয়া গিয়েছে রাজধানী দিল্লি, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা এবং কেরলে।

করোনাভাইরাস আসলে সরকারের চক্রান্ত, বিস্ফোরক পোস্ট করে শ্রীঘরে গেল যুবক

মারণ ভাইরাসও ওঁদের কাছে পর্যদুস্ত, করোনা জয় করে ইতিমধ্যে সুস্থ জীবনে ২.৬৫ লক্ষ মানুষ

করোনা মোকাবিলায় চাই প্রচুর টাকা, তাই নাকি বিক্রি হচ্ছে মোদীর সাধের 'স্ট্যাচু অফ ইউনিটি'

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন প্রায় সাতশো মানুষ। এমনটাই জানাচ্ছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে চার হাজারের গণ্ডি। দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮।

মহারাষ্ট্রের পরেই সবচেয়ে খারাপ অবস্থা তামিলনাড়ুর। দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে সরকারি ভাবে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৫৭১ জন। অন্যদিকে রাজধানী দিল্লিও রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছা়ড়িয়ে গেছে পাঁচশোর গণ্ডি। 

এদিকে গত ৪ দিনে এদেশে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার জন্য দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকেই দায়ি করছে প্রশাসন। তবলিগ ই জামাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে গোটা দেশে সংক্রমণ না ছড়ালে সংখ্যা সাত দিনেরও বেশি সময় পরে দ্বিগুণ হত বলে দাবি করা হচ্ছে। গত ৫ দিনে তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি ও অসমে করোনা সংক্রমণ ৮৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দিল্লির নিজামুদ্দিন মার্কেজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের যোগ থেকেই  সংক্রমণের এই সংখ্যা বৃদ্ধি বলে মনে করছে প্রশাসন।