রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনা যুদ্ধে ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া সেই জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান মোদী দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী দুই পক্ষই

দেশে এসে পড়ছে রাশিয়ার ভ্যাকসিন। আর তার আগে আজ, মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের করোনা যুদ্ধে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। আর সেই কারণে রাশিয়ান প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদী। টুইটারে মোদী জানান, পুতিনের সঙ্গে তাঁর করোনার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভূমিকা বাড়ছে বায়ুসেনার, পর্যালোচনা বৈঠকে বোঝালেন মোদী

নরেন্দ্র মোদী টুইটারে জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তাঁর বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বিশেষ করে মহাকাশ যাত্রা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ক্ষেত্র নিয়ে কথা হয়। শিল্পক্ষেত্রে কার্বন নির্গমনের চাবিকাঠি হতে চলা হাইড্রোজেন অর্থনীতি নিয়েও দুজনের মধ্যে আলোচনা হয় বলে তিনি জানান। 

আরও পড়ুন: দেশের করোনা মহামারি নিয়ে আবারও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, অক্সিজেন সরবরাহে জোর দিলেন মোদী

Scroll to load tweet…

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জানান, দু দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর বৈদেশিক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক স্তরে আলোচনা নিয়ে কথা বলা নিয়েও আলোচনা হয়। 

Scroll to load tweet…

 করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে আছড়ে পড়তেই নাজেহাল ভারত। টানা সাতদিন ভারতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের উপরে, দৈনিক মৃত্য়ুর সংখ্যাও তিন হাজার ছাড়িয়েছে। এমন অবস্থায় ভ্যাকসিন বড় ভরসা।

Scroll to load tweet…

দেশে যে দুই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, তাদের জোগান চাহিদার চেয়ে কম। এমন অবস্থায় রাশিয়ার ভ্যাকসিনের ওপর আস্থা রাখছে ভারত। পয়লা মে রাশিয়ার ভ্য়াকসিন'স্পুটনিক ভি' ভারতে এসে পড়ছে। সে দিন থেকেই আবার দেশের সব সাবালক নাগরিকদের টিকাদানের কাজ শুরু হবে। ফলে স্পুটনিক ভ্য়াকসিন চাহিদার সঙ্গে জোগানে অনেকটাই ভারসাম্য আনবে। প্রসঙ্গত, গত বছর অগাস্টে বিশ্বকে চমকে সবার আগে করোনা টিকা স্পুটনিক ভি নিয়ে আসে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট পুতিন সেই টিকা কর্মসূচি উদ্বোধন করেছিলেন। পুতিনের মেয়ে প্রথম যিনি স্পুটনিক ভ্য়াকসিন নেন।