এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন জারি না করেই মহামারি মোকাবিলা করার মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে দেশের। তিনি জানান, এর আগে মহামারি মোকাবিলার জন্য পরিকাঠামো ছিল না বলেই লকডাউনের মতো উপায় নিতে হয়েছিল। তবে, এখন তার দরকার নেই। জোর দিলেন নাইট কারফিউ-এর উপরে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত জারি হতে পারে নাইট কারফিউ।

কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ভারতে আর লকডাউন জারির দরকার নেই। বৃহস্পতিবার, মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন জারি না করেই মহামারি মোকাবিলা করার মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে দেশের। তিনি জানান, এর আগে মহামারি মোকাবিলার জন্য পরিকাঠামো ছিল না বলেই লকডাউনের মতো উপায় নিতে হয়েছিল। তবে, এখন তার দরকার নেই। বদলে, মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন, অর্থাৎ ছোট ছোট জায়গায় লকডাউন জারি করার সুপারিশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি মোটেও ভাল নয়। বিশেষ করে, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, ছত্তিশগড়, পঞ্জাব-সহ কয়েকটি রাজ্যের অবস্থা খুব খারাপ। কাজেই সব রাজ্যেই কোভিড-১৯ নীতি অনুসরণ করতে হবে। কোনওরকম শিথিলতা দেওয়া চলবে না। মানুষ যে বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে, সেটা বড়ই উদ্বেগের বিষয়। কয়েকটি রাজ্যে প্রশাসনের দিক থেকেও হেলদোলের অভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

"

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে নতুন কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা কোভিডের প্রথম তরঙ্গের শিখর অতিক্রম করেছে শুধু নয়, এইবারে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার আগের তুলনায় দ্রুততর। পাশাপাশি, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ এবং গুজরাত-সহ বে কয়েকটি রাজ্যেও দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা, প্রথম তরঙ্গের শীর্ষকে অতিক্রম করেছে। আরও বেশ কিছু রাজ্য সেইদিকেই এগিয়ে চলেছে।

আরও পড়ুন - বঙ্গের কোন কোন কেন্দ্রে সহজে জিতবে বিজেপি, কোথায় লড়াই কঠিন - কী বলছে দলের গোপন বিশ্লেষণ

আরও পড়ুন - বিজেপি এলে CAA হবেই, কিন্তু NRC-র কথা তুলছে কেন তৃণমূল - গেরুয়া শিবিরের কী পরিকল্পনা

আরও পড়ুন - কৃষি না শিল্প - একদশক পর নির্বাচনে ফিরে এল পুরোনো প্রশ্ন, কী বলছে সিঙ্গুর

মুখ্যমন্ত্রীদের তিনি রাজ্যে রাজ্য়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাড়াতে এবং সংক্রামিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার উপর জোর দিতে বলেছেন। কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যাও বাড়ানোর উপর জোর দিতে বলেছেন তিনি। আরটি-পিসিআর পরীক্ষার সংখ্যা ৭০ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। করোনা ইতিবাচকের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নামানোর চেষ্টা করতে হবে। এদিন আবারও তিনি 'টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিট ' পন্থা অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন।