করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে বেহাল বারানসীগত সপ্তাহেই সেখানেও গঙ্গায় মৃতদেহ  ভাসতে দেখা গিয়েছিলএবার নিজ কেন্দ্রের তদারকিতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীডাক্তার-চিকিৎসা কর্মীদের সঙ্গে করবেন মতবিনিময় 

শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তাঁর সংসদীয় এলাকা অর্থাৎ, বারাণসীর ডাক্তার, প্যারামেডিক্যাল কর্মী এবং অন্যান্য ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সেইসঙ্গে সেখানকার কোভিড এবং নন-কোভিড হাসপাতালগুলির কাজকর্ম পর্যালোচনা করবেন। তবে সশরীরে বারানসী আসবেন না প্রধানমন্ত্রী, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই নিজের সংসদীয় এলাকার সঙ্গে যুক্ত হবেন তিনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধায় এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি বারাণসীতে চালু হয়েছে ডিআরডিও (DRDO) এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) যৌথ উদ্যোগে তৈরি পন্ডিত রাজন মিশ্র কোভিড হাসপাতাল। ওই হাসপাতালটি-সহ বারানসীর অন্যান্য হাসপাতালে কোথায় কেমন কাজ হচ্ছে, তারও খোঁজ খবর নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

জেলার বেসরকারি হাসপাতালগুলির কার্যক্রমও পর্যালোচনা করবেন তিনি। সেইসঙ্গে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ-কে বারাণসীতে কীাভাবে মোকাবিলা করার হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়েও আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের অন্যান্য অংশের মতো, বারানসী তথা উত্তরপ্রদেশেও করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের ধাক্কায় বেহাল অবস্থা স্বাস্থ্য পরিষেবার। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় গত কয়েক দিনে গঙ্গা নদীতে অসংখ্য মৃতদেহ ভাসতে দেখা গিয়েছে। বাদ যায়নি বারানসীর পবিত্র ভূমিও। ঠিক এক সপ্তাহ আগেই সেখানেও গঙ্গা দিয়ে মৃতদেহ ভাসতে দেখা গিয়েছিল।

আরও পড়ুন - এবার ধরা পড়ল 'সাদা ছত্রাক' সংক্রমণ, কালো ছত্রাকের থেকেও মারাত্মক - জেনে নিন বিস্তারিত

আরও পড়ুন - কোভিডে ভারত জুড়ে অনাথ হাজার হাজার শিশু, পাশে দাঁড়ালেন সনিয়া - চিঠিতে কী বললেন মোদীকে

আরও পড়ুন - সাইক্লোনের সতর্কতা অবজ্ঞা করেছিলেন ক্যাপ্টেন, লাইফ ব়্যাফ্টে ছিল ফুটো - তাতেই মৃত ৩৭

চলতি মাসের শুরুতে বিবিসির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, করোনার ধ্বস্ত বারানসীর মানুষ তাদের সাংসদ তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুপস্থিতিতে ক্ষিপ্ত। শয্যা, অক্সিজেন, ওষুধ - এমমনকী সাধারণ বিটামিন জিঙ্কের মতো ওষুধও মিলছিল না বারানসীতে বলে দাবি করা হয়েছে সেখানে। এবার, প্রধানমন্ত্রী নিজেই তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নিলেন।