করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বর্তমান সময়ে মাস্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রায় সবকটি সরকারই বাড়ির বাইরে বার হওয়ার সময় মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েদিয়েছে। বাজারে মাস্কের চাহিদা বেশি থাকায় অনেকে আবার বাড়িতে সাধারণ কাপাড় দিয়েই মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীর কথায় মাস্কের ব্যবহার না করলে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। তাই মাস্কের ব্যবহারের  অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু মাস্ক থেকেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকেই যাচ্ছে। কারণ বিজ্ঞানীদের কথায় কাপড়ে প্রায় ঘণ্ট চারেক বেঁচে থাকে করোনাভাইরাস। এই অবস্থায় তাক লাগিয়েছে বেঙ্গালুরুর বিজ্ঞানীরা। আর সেই দলে রয়েছেন এক বঙ্গ সন্তান প্রলয় সাঁতরা। 

বেঙ্গালুরুর ন্যানো অব সফট ম্যাটার সায়েন্স রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীদের একটি দল আবিষ্কার করেছে নতুন এক মাস্ক। আর সেই দলেই রয়েছে প্রলয় সাঁতরা। দলের বাকি সদস্যরা হলেন আশুতোষ সিং, গিরুধর ইউ কুলকার্নি। তাঁদের কথায় দুটি অপরিচালনাকারী স্তর একে অপরের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে বিদ্যুৎ তৈরি হবে। তাই সেই বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসেই মৃত্যু হবে জীবানুর। ছোট বেলায় পড়ার বই থেকেই এই ধারনা এসেছে তাঁদের মনে। তাই সেই পাঠ্য বইকে হাতিয়ার করেই পথ চলা শুরু করেছিলেন তিন বিজ্ঞানী। তাঁদের কথায় রসায়ন, পদার্থ, পদার্থ বিজ্ঞান আর জৈব বিজ্ঞানের মৌলিক নীতিগুলিকে সৃজনশীলতার সঙ্গে প্রয়োগ করেই এই নতুন মাস্কের তৈরিতে সাফল্য পেয়েছেন তাঁরা। 

আরও পড়ুনঃকরোনা মোকিবালায় সাফল্য কুড়িয়ে লকডাউন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের পথে কেরল, হোটেল আর যান চলাচলে ...

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে তুলনা, ট্রাম্প বললেন রেকর্ড করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ...

আরও পড়ুনঃ করোনা ছড়ানোর পর ভারতে পিপিই সংকটের কারণও নাকি সেই চিন, অভিযোগ হোয়াইট হাউসের ...

নতুন এই মাস্কের প্রলিপ্রোলিন স্তরগুলির মধ্যে নাইলনের কাপড় থাকবে। মাস্কের তিনটি স্তর থাকবে। নাইলনের জায়গায় বাড়িতে থাকা পুরনো শাড়ি শাল বা সিল্কের কাপড়ও ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিটা স্তরে নাড়়াচাড়া হলেই বিদ্যুত উৎপন্ন হবে। তাই তাইতে বিনাশ ঘটবে জীবানুর। এটি বাড়িতে পরিষ্কার করে একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে। তবে  এই মাস্ক স্বাস্থ্য পরিষেবা বা জরুরী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উপযোগী নয় বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।