তিনি চিকিৎসক নন, নন স্বাস্থ্যকর্মীও। কিন্তু তাতে কী! করোনা মোকাবিলায় ডিজিটাল থার্মোমিটার হাতে বেরিয়ে পড়েছেন বীরভূমের হাঁসনের কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ। শরীরের তাপমাত্রা মেপে দিচ্ছেন পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধও।

আরও পড়ুন: 'কোয়ারেন্টাইন নোটিশে আতঙ্ক ছড়াবে', পুরসভার কর্মীদের ফেরালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

করোনা ভাইরাসের কারণে গ্রামগঞ্জের বহু মানুষ হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছেন। একটু জ্বর হলেই গৃহবন্দি করছেন নিজেকে। ভয় একটাই যদি কোয়ারান্টাইনে রেখে দেয়। সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে পথে নেমেছেন কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রসিদ। গ্রামের পর গ্রাম চষে বেড়াচ্ছেন তিনি, যাচ্ছেন প্রতিটি বাড়িতে। শরীরের তাপমাত্রা কত? নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে কপালে ডিজিটাল থার্মোমিটার ঠেকিয়ে তা জানিয়ে যাচ্ছেন বিধায়কই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কখনও কখনও আবার রোগীকে নিজেই চলে যাচ্ছেন হাসপাতালে। শুধু নিজের বিধানসভা এলাকায়ই, রামপুরহাট স্টেশন লাগোয়া এলাকায় ভবঘুরে ও পথচলতি মানুষের কপালেও ঠেকাচ্ছেন ডিজিটাল থার্মোমিটার।

আরও পড়ুন: কার্ড না থাকলেও মিলবে রেশন, সোমবার থেকেই দেওয়া শুরু বিশেষ কুপন

আরও পড়ুন: লকডাউনে ঘরবন্দি বৃদ্ধ, বাড়িতে পেনশনের টাকা পৌঁছে দিল ডাকবিভাগ

হাঁসনের কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ বলেন, 'গ্রামগঞ্জের বহু মানুষ এই সময় হাসপাতালে না গিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখছেন। কারণ হাসপাতালে জ্বর দেখলেই ভর্তি করে নিচ্ছে। তাই আমি গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রত্যেকের তাপমাত্রা মেপে দিচ্ছি। তাতে কিছু মানুষের আতঙ্ক দূর হচ্ছে। কয়েকজনের চিকিৎসাও করানো হয়েছে।  প্রতিদিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের তাপমাত্রা মেপে দিচ্ছি। জটলা না পাকিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। আমি এভাবেই এই বিপদে মানুষের পাশে থাকতে চাই।'