কেউ পেলেন গোলাপ, তো কাউকে আবার পরানো হল মালা! লকডাউন সফল করতে এবার 'গান্ধীগিরি'র পথে হাঁটল পুলিশ। অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর।  

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্ক এবার রাজ্য়ের বন্দরেও, নিজামুদ্দিন থেকেই ফিরেই আক্রান্ত সেখানের এক কর্মী

করোনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে সর্বত্রই। কিন্তু সচেতনতার যে বড্ড অভাব! লকডাউন চলাকালীন ঘরে থাকতে চাইছেন না অনেকেই। নানা অছিলায় বেরিয়ে পড়ছেন রাস্তায়, স্রেফ আড্ডা দেওয়ার জন্য় ভিড় করছেন পাড়া মোড়ে, চায়ের দোকানে। পুলিশই বা কী করবে! বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করতে হচ্ছে তাঁদের। কিন্তু তাতেও যে কাজ হচ্ছে, এমনটা কিন্তু নয়। তাহলে উপায়? লাঠি তো ছিলই, বৃহস্পতিবার গোলাপ ফুল ও গাঁদার ফুলের মালা হাতে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ, মহকুমাশাসক বৈভব  চৌধুরী ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুকোমল দাস। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক প্রদীপ সরকারও। রাতভর অভিযান চলল খড়গপুর শহরে। 

আরও পড়ুন: লকডাউন ভেঙে চলছিল আড্ডা, ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ

আরও পড়ুন: ভিন রাজ্য থেকে ফিরে জঙ্গলে 'নিভৃতবাস', করোনা সচেতনতার নজির নদিয়ার চার যুবকের

আরও পড়ুন: লকডাউনে ক্রিকেট খেলতে বাঁধা, ঘুম ভেঙে মালিক দেখল পুকুরে কোনও মাছ আর নেই বেঁচে

লকডাউন উপেক্ষা করে যাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছিলেন, তাঁদের ফুল দিয়ে প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। কারও কারও গলায় আবার মালাও পরিয়ে দেওয়া হয়। আর এতেও হুঁশ না ফিরলে চলছিল লাঠিচার্জ। খড়গপুরের বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যে লকডাউন জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকলকেই বাড়িতে থাকতে বলেছেন তিনি। কিন্তু কিছু মানুষ নিয়ম মানছেন না। ফুল দিয়ে তাঁদের সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।