লকডাউনের মাঝে কোনওমতে ওড়িশা থেকে গ্রামে ফিরেছেন। করোনা আতঙ্কে জঙ্গলে আশ্রয় নিলেন চারজন যুবক। সচেতনতার নজির এবার নদিয়ায়। খুশি গ্রামবাসীরাও।

আরও পড়ুন: করোনা সন্দেহে ঘরে ঢুকতে দিচ্ছে না মালিক, ১৪ দিনের অজ্ঞাতবাস ভাড়াটিয়ার

ওই তিন যুবকের বাড়ি নদিয়ার ধানতলায়। কাঠের আসবাবপত্রের ব্যবসা করেন তাঁরা। তখনও সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। মাস  দেড়েক আগে ব্যবসার কাজে ওড়িশায় সুন্দরগড়ে যান ওই তিন যুবক। কিন্তু লকডাউনের কারণে যথারীতি বিপাকে পড়তে হয় তাঁদের। বাস-ট্রেন বন্ধ, ঠিকমতো খাবারও জুটছিল না। শেষপর্যন্ত ওড়িশা থেকে সাইকেল চালিয়ে নদিয়ার ধানতলায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। যেমন ভাবা, তেমনি কাজ। নতুন সাইকেল কিনে রওনা দেন সকলেই। গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লেগে যায় তিনদিন! কিন্তু গ্রাম তো না হয় ফিরলেন, কিন্তু করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা বুঝবেন কি করে? সরকারি নির্দেশ মেনে এখন জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে থাকছেন ওই তিন যুবক।  জানা গিয়েছে, আশা কর্মীদের তাঁদের দেখে গিয়েছেন। তবে কারও সন্দেহজনক কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি। 

আরও পড়ুন: লকডাউনে অনলাইন ক্লাস কেমন চলছে, রাজ্য়ের কলেজগুলোর কাছে রিপোর্ট চাইল শিক্ষা দফতর

আরও পড়ুন: করোনার জেরে এখনই মিলবে গরমের ছুটি, বিকল্প শিক্ষাবর্ষের ভাবনায় রাজ্য়ের একাধিক স্কুল

এর আগে করোনা সচেনতা এমনই ছবি দেখা গিয়েছিল পুরুলিয়ায়। স্থানীয় বলরামপুর ব্লকের ভাঙিডী গ্রাম থেকে চেন্নাইয়ে কাজ করতে গিয়েছিলেন সাতজন যুবক। করোনা আতঙ্কে যখন ট্রেনে করে গ্রামে ফিরছিলেন তাঁরা, তখনই দেশজুড়ে লকডাউন জারি হয়। খড়গপুর স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে গ্রামে ফেরেন ওই সাতজন যুবক। গাছে মাচা বেঁধে চেন্নাই ফেরত যুবকদের থাকার ব্যবস্থা করেন গ্রামবাসীরাই। সেই খবর প্রকাশিত হয় এশিয়ানেট নিউজ বাংলায়। এরপরই ওই সাতজনকে গাছ থেকে নামিয়ে স্থানীয় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করে প্রশাসন।