ফাঁক গলে যদি অন্য় কেউ ঢুকে পড়ে! সেই আশঙ্কাতেই  'সামাজিক দূরত্ব' বজায় রাখতে রাজি নন মহিলারা। গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার অফিস ও ব্যাঙ্কের সামনে রীতিমতো গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তাঁরা। পুলিশের অনুরোধেও কর্ণপাত করছেন না কেউ। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাওড়ার উলুবেড়িয়ায়।

আরও পড়ুন: করোনা রুখতে আগাম সতর্কতা বীরভূমে, বিলাসবহুল হোটেল এখন আইসোলেশন সেন্টার

লকডাউনের বাজারে সরকারি প্রকল্পে বিনা পয়সায় পাওয়া যাচ্ছে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। শুধু তাই নয়, অ্যাকাউন্টে টাকাও ঢুকছে। এমন সুযোগ আর কেইবা হাতছাড়া করতে চায়! গত তিন দিন ধরে উলুবেড়িয়ায় ওটি রোডে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার অফিস ও ব্যাঙ্কের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ছে। কিন্তু লাইন দাঁড়ানোর সময়ে কেউই 'সামাজিক দূরত্ব' বজায় রাখছেন না বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বৃত্ত আঁকা তো দূর অস্থ, গ্রাহকরা যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়ান, সে বিষয়ে ব্যাঙ্ক কিংবা গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার তরফে কোনও উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। ফলে যা হওয়ার, তাই হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে না তো? আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।  এই পরিস্থিতিতে শেষপর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয় বাগনান থানার পুলিশকে। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি।

আরও পড়ুন: চিড়িয়াখানায় বাঘের শরীরে করোনা, নবান্নে বার্তা পাঠাল কেন্দ্র

আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় বোর্ড গঠন রাজ্য়ের, নেতৃত্বে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়

জানা গিয়েছে, গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা ও ব্যাঙ্কের সামনে গিয়ে গ্রাহকদের হাতজোড় করে সতর্ক করেছেন পুলিশকর্মীরা। তাঁদের দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু সেই কথা আর শুনছে কে! গ্রাহকদের আশঙ্কা, লাইনে যদি ফাঁক থাকে, সেক্ষেত্রে অবাঞ্চিত লোক ঢুকে পড়বে। অতএব জায়গা ছেড়ে দাঁড়ানো যাবে না। এদিকে আবার গ্রাহকদের বেশিরভাগই মহিলা। ফলে পুলিশ বলপ্রয়োগও করতে চাইছে না বলে জানা গিয়েছে।