গোটা বিশ্ব করোনা সংক্রমণের মোকাবিলা করতে গিয়ে দিশেহারা। লাফিয়ে লাফিয়ে প্রতিদিনই বিশ্বে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তার জন্য একাধিক দেশ লকডাউনের পন্থা নিয়েছে। মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলেও। সংক্রমণ আটকাতে সেই দেশের স্থানীয় প্রশাসন সেলফ আইসোলেশনের পন্থা নিয়েছে। কিন্তু করোনা নিয়ে একেবারেই এই মাতামাতি পছন্দ নয় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর। 

এক সাক্ষাৎকারে বলসোনারো দাবি করেছেন, দেশে আর কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই। কারণ, এতে কাজের বাজারে অসুবিধা হচ্ছে। এরপরে কেউ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে চাইলে তাকে চাকরি হারাতে হতে পারে বলে সাফ জানিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। যদিও ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুইজ হেনরিক মেন্ডেটা প্রেসিডেন্টের উল্টোপথে হেঁটে সামাজির দূরত্ব বজায় রাখার কথাই বলেছেন। 

তবে বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিশ্বজুড়ে পরিচিতি রয়েছে। করোনাভাইরাসের মোকাবিলা নিয়েও তার সঙ্গে অঙ্গরাজ্যগুলির গভর্নরদের মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। ব্রাজিলের অভঙ্গরাজ্যগুলির গভর্নরদের অভিযোগ, দেশের প্রেসিডেন্ট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পদক্ষেপের চেয়ে অর্থনীতি রক্ষা করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন। 

নিজামুদ্দিনে ২৪ জনের শরীরে মিলল মারণ ভাইরাস, ব্যর্থতার তিরে বিদ্ধ কেজরি

গোষ্ঠী সংক্রমণ থেকে আর রক্ষে পেল না দিল্লি, হাসপাতালে ভর্তি তাবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া ৩০০ জন

করোনার কঠিন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন পাহাড়ি বিছে, শ্রমিকদের জন্য খুলে দিলেন বাড়ির দরজা

সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে  বলসোনারো বলেন, "আমি দুঃখিত, করোনাভাইরাসের জন্য কিছু মানুষ মারা যাবে, তারা মারা যাবে, এটাই জীবন। সড়ক দুর্ঘটনার কারণে আপনি গাড়ির কারখানা বন্ধ করে দিতে পারেন না।"

ব্রাজিলে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে সাও পাওলোতে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন বারোশোর বেশি মানুষ। মৃতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়েছে। যদিও সংখ্যাটা তেমন কিছু নয় বলেই দাবিব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের। এর আগে আমাজনের দাবানলের সময়ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল।