কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের কাছে মাথা নত পোপেরকরোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতেই এই কাণ্ডভাইরাল ভিডিও এক বছর আগেরশান্তিতে থাকার আবেদন জানিয়েছিলেন পোপ ফ্রান্সিস

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। যার প্রবল প্রভাব পড়েছে পোপের দেশ ইতালিতে। ইতালিতে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। একমাসেরও বেশি সময় ধরেই কোয়ারেন্টাইনে পুরো দেশ। ইতালিবাসীকে আপাতত ঘরে থাকারই পরামর্শ দিয়েছেন পোপ। আন্তর্জাতিক এই মহামারী বন্ধ করার জন্য তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছেন বলেও জানিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বাগে আনা যায়নি মারাত্মক ছোঁয়াচে করোনাভাইরাসকে। এই ভাইরাসের সংক্রমণে গোটা বিশ্বেও মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার। আক্রান্ত কয়েক লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর এত বড় কোনও চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েনি মানব সভ্যতা। উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে রাষ্ট্র সংঘও। কিন্তু কেন এই চরম বিপর্যয়? ইতিমধ্যেই তাই নিয়ে শুরু হয়েগেছে কাটাছেড়া। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

একটি অংশ দাবি করছে করছে দীর্ঘ দিন ধরেই কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের ওপর চলে আসা অত্যাচারের কারণে এই ভয়ঙ্কর মহামারী। এই যুক্তির সপক্ষে একটি ভিডিও প্রচারি হয়েছে। যা অবশ্য এখন ভাইরাল। সেই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে পোপ ফ্রান্সিস কৃষাঙ্গ মানুষদের পায়ে চুমু খাচ্ছে। আর ক্যাপসানে লেখা হয়েছে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের ওপর চলে আসা অত্যাচারের জন্য তিনি দুঃখিত। তাই তিনি ক্ষমা চাইছেন। পাশাপাশি আরও লেখা হয়েছে, করোনাভাইরাসের এই সংক্রমণের পর থেকেই কালোমানুষের সঙ্গে আচরণের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আমরা সবাই জানি পৃথিবী কখনই একই রকম থাকে না। কালো মানুষরাই এই পৃথিবীর আসল মানুষ। এই সত্য ক্রমশই সামনে আসছে। 

গত পলয়া এপ্রিলে যোসেফ অরল্যান্ডো বিয়েন এই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন। বর্তমানে এই ভিডিও ভাইরাল। কিন্তু এই ভিডিওটি সত্যি। 

আরও পড়ুনঃ লকডাউনই জন্ম করোনা আর কোবিডদের, আলাপ করুন তাদের সঙ্গে

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় লকডাউনে কল্পতরু মোদী, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আরও পড়ুনঃ করোনা সংক্রমণের মধ্যেই নতুন বিপদ জাপানের সামনে, আগ্নেয়গিরির ভস্মের নিচে ঢাকতে চলেছে টোকিও

পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এই ভডিওটি এক বছর আগের অর্থাৎ ২০১৯-এর এপ্রিলের। সত্যিই পোপ কালো মানুষদের পায়ের পাতায় চুমু খেয়েছিলেন। কিন্তু তা মোটেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জন্য নয়। এভাবেই মাথানত করে শান্তিতে থাকার আবেদন জানিয়েছিলেন দক্ষিণ সুদানের নেতাদের কাছে।