শুক্রবারই করোনা সংক্রমণের ঘটনায় চিন ও ইতালিকে পেছনে ফেলে  বিশ্বে এক নম্বরে উঠে এসেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর ২৪ ঘণ্টা পেরতে না পেরতেই দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল লাখের গণ্ডি। এমনটাই  পরিসংখ্যান দিচ্ছে জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়। 

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে আমেরিকায় করোনা সংক্রমণের ঘটনা লক্ষাধিক। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত আমেরিকায় কোভিড ১৯ আক্রান্ত ১ লক্ষ ৭১৭ জন মানুষ। এখনও পর্যন্ত এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১,৫৪৪ জনের। 

নিজের পুরনো রেকর্ড ফের ভাঙল ইতালি, একদিনে মৃতের সংখ্যা ছুঁয়ে ফেলল হাজার

কোয়ারেন্টাইন থেকে পালিয়ে বান্ধবীর বিপদ বাড়ালেন যুবক, তরুণীকেও পাঠান হল আইসোলেশনে

করোনা শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র, নিউক্লিয়ার বাঙ্কার কাজে লাগাচ্ছে ইজরায়েল

বর্তমানে ইতালির থেকে প্রায় ১৫ হাজার এবং চিনের থেকে প্রায় ২০হাজার বেশি আক্রান্ত রয়েছেন ট্রাম্পের দেশে। তবে আমেরিকার মৃত্যুহার অনেকটাই কম। ইতালিতে যেখানে শতাংশের হিসাবে মৃত্যুহার ১০.৫ শতাংশ। সেখানে আমেরিকায় মৃত্যুহার ১.৫ শতাংশ।  তবে মার্কিন মুলুকে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নিউইয়র্কের। এখনও পর্যন্ত এখানে করোনা সংক্রমণে ৫০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তাতে হাসপাতালগুলিতে অভাব দেখা দিয়েছে বেড, ভেন্টিলেটর এবং মাস্ক ও গালভের মত নিজেকে সুরক্ষিত রাখার সামগ্রীর।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই দাবি করেছিলেন করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ম্যালেরিয়ার ওষুধ ক্লোরোকুইনের ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে। ক্লোরোকুইন আসলে বহু পুরনো ও সুপরিচিত ম্যালেরিয়ার ওষুধ। এদিকে এর মাঝেই শুক্রবার সান ফারমাসিউটিক্যাল আমেরিকায় করোনা চিকিৎসার জন্য ২.৫ মিলিয়ন  হাইড্রোক্সিলোক্লোইন সালফেট ট্যাবলেট দান করেছে। সাধারণত এই ট্যাবলেট ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এখনও এই ট্যাবলেটটি অনুমোদন না পেলেও বর্তমানে কোভিড ১৯ রোগের কোনও চিকিৎসা বের না হওয়ায় মার্কিন মুলুকে বিকল্প হিসাবেই এটিক ব্যবহার করা হচ্ছে।