করোনাভাইরাসের আক্রমণের রীতিমত ত্রস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৬,৬৯৭। মৃতের সংখ্যায় এখনও পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে ইতালি। ইউরোপের এই দেশটিতে প্রাণ গেছে ১৮ হাজার মানুষের। মার্কিন যুক্তরাষ্টের পরেই রয়েছে স্পেন। ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে  আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে উল্কা গতিতে। বৃহস্পতিবার পাওয়া তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছে ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮শ ৮৭ জন মানুষে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে রীতিমত সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনীতি। একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে গত তিন সপ্তাহে  কাজ হারিয়েছেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান দফতর থেকে জানান হয়েছে গত দুসপ্তাহ ধরে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে দেশের শিল্পক্ষেত্রগুলিকে। গত দুসপ্তাহের লকডাউনের কারণে কাজ হারিয়েছেন প্রায় এক কোটি মানুষ। সবথেকে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্ক, মিচিগান ও ফ্লোরিডায়। এই চারটি রাজ্যে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা সবথেকে বেশি। বর্তমান পরিস্থিতি মার্কিন প্রশাসনের অনুকূলে নয়। রীতিমত আর্থিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হতে পারে এই দেশটি। তেমন দাবি করেছে মার্কিন প্রশাসন। 

মার্কিন যুক্তরাষ্টে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রুখতে ভারতের মতই সামাজিক দূরত্ব বজার রাখার পথেই হেঁটেছে। দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চলছে লকডাউন। এই অবস্থায় দেশের নাগরিকদের বাড়িতে থাকারই পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ডা ট্রাম্প।করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা সব থেকে বেশি নিউ ইয়র্কে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লক্ষেরও বেশি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউ জার্সি। সেখানে আক্রান্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। 

আরও পড়ুনঃ লাগাতার নমুনা পরীক্ষাতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য, চিন্তা বাড়াচ্ছে আইসিএমআর এর গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসে কি সংক্রমিত হতে পারে আপনার বাড়ির পোষ্য বিড়াল, কুকুর, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আরও পড়ুনঃ ৮০ জনের একটাই শৌচাগার, করোনা মোকাবিলায় ধারাভিতে কী করে বজায় থাকবে সামাজিক দূরত্ব

শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়। গোটা বিশ্বজুড়েই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।  গোটা বিশ্বে কয়েক লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃত্য হয়েছে ৯৫ হাজারেরও বেশি মানুষের। তবে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ।