প্রধানমন্ত্রী, রাজকন্যা, রাজপুত্র, ফার্স্ট লেডি, মন্ত্রী কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না করোনাভাইরাস। বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেসে জাল বিছিয়েছে এই মারণ ভাইরাস। ৭ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত কোভিড ১৯ রোগে। তার মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন দেশের নামজাদা ব্যক্তিত্ব, অভিনেতা-অভিনেত্রী, ক্রীড়াবিদ সকলেই। আর সেই কারনেই সেলফ আইসোলেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিয়ালংকর্ন। 

থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিয়ালংকর্নকে নিয়ে এমনিতেই বিতর্কের শেষ নেই। এবার নাকি থাই রাজা সেলফ আইসোলেশনের জন্য বুক করেছেন জার্মানির এক বিলাসবহুল হোটেল। আর তাঁকে সঙ্গ দিতে সেখানে হাজির থাকছেন ২০ জন হারেম সুন্দরী। 

 

 

জার্মানির বিলাসবহুল ওই হোটেলে ৬৭ বছরের রাজার সঙ্গী হয়েছেন ২০ জন সুন্দরী ছাড়াও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কর্মচারীরাও। এমনিতে রাজা  ভাজিয়ালংকর্নের স্ত্রীর সংখ্যা ৪। তাঁরাও রাজা সঙ্গে সেলফ আইসোলেশনে সামিল হয়েছেন কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি। 

আরও পড়ুন: ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখ পুড়ল চিনের, ৬ লক্ষ মাস্ক ফেরত পাঠাল নেদারল্যান্ডস

এবার কি করোনা আক্রান্ত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ২৫ জন, দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ নিয়ে ফের উঠতে শুরু করল প্রশ্ন

আইসোলেশন মানে একা থাকা। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। করোনার মতো মারণ ছোঁয়াচে ব্যাধি যাতে আরও মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্যই বারবার এই বিষয়ে সাবধান করা হচ্ছে। অর্থাৎ রোগ যাতে না ছড়ায়, তারজন্য মানুষের সংস্পর্শে যত সম্ভব কম আসতে হবে। গোটা পৃথিবীতে  এই নিয়ম মানলেও  থাইল্যান্ডের রাজার কাছে অবশ্য তা প্রযোজ্য নয়। আর রাজার এমন আচরণে বেজায় খেপেছেন থাইল্যান্ডের বাসিন্দারা। দেশটির হাজার হাজার নাগরিক সামাজিক মাধ্যমে এর কড়া সমালোচনা করেছেন। ইতিমধ্যে দেশটির ট্যুইটারে '#হোয়াই ডু উই নিড অ্যা কিং' ট্রেন্ডের তালিকায় উঠেছে।

এমনিতে থাইল্যান্ডের রাজার সমালোচনা করলে ১৫ বছরের জেল অবধাকিত। তা সত্বেও সমালোচনা করতে থামছেন না নেটিজেনরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত করোনা থাবা বসিয়েছে থাইল্যান্ডে। ইতিমধ্যে দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় পনেরোশো মানুষ। তাঁদের মধ্যে মারাও গিয়েছেন কয়েকজন।