করোনা ক্রমশই ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে ভারতে। এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে । বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই পরিস্থিতিতে  করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্বকেই হাচতিয়ার করেছে ভারত। প্রায় গোটা দেশই লক ডাউনের পথে হেঁটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে। কিন্তু চরম বিপজ্জনক এই জীবানুর সংক্রমণ এখনও রোখা যায়নি। এই হাতে হাত রেখে বসে থাকতে রাজি নয় দেশের যোগাযোগের অন্যতম লাইফলাইন ভারতীয় রেল। শতাব্দী প্রাচিন এই সংস্থাটি এবার করোনা মোকিবালায় যুদ্ধ নেমেছে। রেলের কারখানাগুলিতে  হাসপাতালের জন্য শয্যা, স্যানিটাইজার তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করে তেমনই জানিয়েছেন রেল মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।  

রেলের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেছেন। রেলসূত্রে জানা গেছেব মেডিক্যাল কীট তৈরির ক্ষেত্র কাজে লাগান হবে চিত্তরঞ্জন লোকো ওয়ার্কস,  চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ কারখানা, কাপুরতোলার রেল কোচ কারখানা ও বারানসীর ডিজেল লোকো ওয়ার্কসসহ রেলের একাধিক কারখানাকে। 

আয়কর রিটার্নের সময় বাড়ল কেন্দ্র, করোনা আর লকডাউনের কারণেই ছাড় ঘোষণা সীতারমনের

আরও পড়ুুনঃ করোনাভাইরাসের প্রকোপ, পিছিয়ে গেল রাজ্যসভার নির্বাচনও

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাস ও লক ডাউনকে হাতিয়ার করেই খালি হল শাহিনবাগ, ১০১ দিন পর উঠল অবস্থান

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন রেলের আধিকারিকরা। হাসপাতালের জন্য বিছানা, মেডিক্যাল ট্রলি, ওয়ারেন্টাইনের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস, আইভি স্ট্যান্ড, হাসপাতালের বেড সাইড লকার, তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভেন্টিলেটার, পিপিই মুখোশ, স্যানিটাইজারও তৈরির দিকে হাঁটছে ভারতীয় রেল। তৈরি করা হবে জলের ট্যাঙ্কও। 

করোনাপরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্তমানে প্রায় কাজ নেই রেলের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের। সেই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন কাটা হবে না বলেও জানিয়ছে প্রশাসন। একটি নোটিশ জারি করে ভারতীয় রেল জানিয়েছে বর্তমানে রেল পরিষেবা প্রায় বন্ধ। এই অবস্থায় যারা কাজে আসছে না তাদেরও বকেয়া বেতন দিয়ে দেওয়া হবে। পরিষেবা স্বাভাবিক হলে নোটিশ জারি করে চিক্তিভিত্তিক কর্মীদের কাজে আসার কথা জানান হবে।