করোনাভাইরাসের উৎস সন্ধানে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি তাঁর দেশের গোয়ান্দা সংস্থাগুলিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি রিপোর্ট দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ওই রিপোর্টে করোনাভাইরাসের উৎস সম্পর্কে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থাকবে। বিডেন আরও বলেছেন আমেরিকা ও অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে পূর্ণ ও স্বচ্ছ প্রমাণ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক তদন্তে অংশ নেওয়ার জন্য চিনের ওপর চাপ তৈরি করা হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বাইডেন বলেছেন, তিনি এপ্রিলের শেষ দিকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছ থেকে একটি রিপোর্ট পেয়েছিলেন যেটি চিনে ২০১৯ সালের শেষ দিকে প্রকাশিত হয়েছিল। 

১২ বছরের উর্ধ্বদের জন্য ভ্যাকসিন নিয়ে হাজির Pfizer, অপেক্ষা শুধু অনুমোদনের ...

করোনাভাইরাসের উৎস কোথায়? চিনের গবেষণাগার?নাকি উহানের কুখ্যাত ওয়েট মার্কেন? এই বিষয়গুলি দ্রুততার সঙ্গে সামনে আনতেই  নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে এই  বিষয় তদন্তের গতি বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রচেষ্টাও দ্বিগুণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিডেন বলেছেন কোভিড ১৯-এর ভাইরাসটি প্রথমে কোবও প্রাণীর থেকে তৈরি হয়েছিল নাকি এটি পরীক্ষাগারে দুর্ঘটার কারণে তৈরি হয়েছিল তা জানতে হবে। ভাইরাসটি নিয়ে চিনের ভূমিকা আলোচনার জন্য প্রথমে তার উৎস জানা জরুরি। সেই কারণেই তিনি তদন্তের ওপর জোর দিচ্ছেন বলেও হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের উৎস নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন অ্যান্টনি ফিউসি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক বৈঠকেও আমেরিকার স্বাস্থ্য সচিব জোভিয়ার বেকেরা বলেছেন, কোভিডএর উৎস নিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে গবেষণা হওয়ার খুবই জরুরি।

গোপনীয়তার অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনও ইচ্ছে নেই, WhatsAppকে জবাব কেন্দ্রের ...

হোয়াইট হাউস থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে ২০২০ সালের গোড়ার দিকে যখন কোভয়িড ১৯ ছড়িয়ে পড়ছিল তখনই সিডিসিকে ভাইরাস সম্পর্কে জানতে চিনের অ্যাক্সেন পাওযার আহ্বান জানান হয়েছিল। যাতে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করা যায়। প্রমথ দিকে কোভিড ভাইরাসের উৎস সম্পর্কে তথ্য না থাকার ফলেই এটি নিয়ে যেকোনও তদন্ত বাধাপ্রাপ্ত হবে। কিন্তু তারপরেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরেই এই বিষয়টিতে গুরুত্ব আপোর করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন জো বাইডেন। তিনি বলেছেন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টার মূল কাজই ছিল গোয়েন্দাদের কোভিড ১৯ এর উৎস সম্পর্কে অনুসন্ধান চালান। এই বিষয়ে আগামী দিনেও ফলোআপ করতে হবে। তথ্য সংগ্রহ আর বিশ্লেষণের জন্য গোয়েন্দাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।