বিশ্বকাপ ২০১৯-এর সপ্তম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আফগানিস্তান শ্রীলঙ্কা। গত চার বছরে ক্রিকেট বিশ্বে যে দলটির সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে তারা হল আফগানিস্তান। আর একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অবনতি হয়েছে শ্রীলঙ্কার। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে পরথম বল পড়ার আগে জেনে নেওয়া যাক দুই দলের মুখোমুখি সাক্ষাতচের পরিসংখ্যান।

এর আগে একদিনের ক্রিকেটে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। তিনবারের মধ্যে দুইবার জিতেছে শ্রীলঙ্কা আর একবার জিতেছে আফগানিস্তান। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দল মুখোমুখি হয়েছএ একবারই। ২০১৫ সালের সেই ম্যাচে জিতেছিল শ্রীলঙ্কাই। কিন্তু এই পরিসংখ্যান দেখে মঙ্গলবারের ম্যাচ বিচার করতে গেলে বোকা বনতে হবে।

প্রথমবার দুই দলের সাক্ষাত হয় ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে। সাঙ্গাকারা-জয়বর্ধনের শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে ২৫৩ রান করেছিল। জবাবে ১২৪ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল আফান ইনিংস।

তারপর ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে ২৩২ রানেই অলআউট হয়ে যায়। জয়বর্ধনের শতরানের দৌলতে ৪৮.২ ওভারে জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা।

কিন্তু এরপরই শ্রীলঙ্কা দল থেকে অবসর নিয়েছেন জয়বর্ধনে, সাঙ্গাকারা। বর্তমানে নতুন করে একদিনের দল সাজানোর চেষ্টা করছে শ্রীলঙ্কা। আর পাশাপাশি গত চার বছরে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে আফগানরা। টেস্ট খেলার ছাড়পত্র আদায় করা শুধু নয়, ২টি টেস্ট খেলে ইতিমধ্যেই একটি জিতে নিয়েছে তারা।

আর এই বদলই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে দুই দলের তৃতীয় তথা শেষ সাক্ষাতে। ২০১৮ সালের
এশিয়া কাপে কিন্তু আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২৪৯ রান তুলেছিল। আর তারপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ১৫৮ রানে অলআউট করে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে দেয় আফগানরা।

শোনা যায় ক্রিকেট স্কোরবোর্ডকে নেভিল কার্ডাস বলেছিলেন 'গাধা'। শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান ম্যাচের ক্ষেত্রেও যদি অতীত পরিসংখ্যান দেখে শ্রীলঙ্কা-কে এগিয়ে রাখতে চান তাহলে বোকা বনতে হবে। কারণ সেই সাঙ্গাকারা-জয়বর্ধনেরাও নেি, সোনার লঙ্কাও নেই।

সার্বিক ওডিআই পরিসংখ্যান

ম্যাচ -  ৩
আফগানিস্তান জয়ী - ১
শ্রীলঙ্কা জয়ী - ২

বিশ্বকাপ পরিসংখ্যান

ম্যাচ -  ১
আফগানিস্তান জয়ী - ০
শ্রীলঙ্কা জয়ী - ১

শেষ তিন ম্যাচ

আফগানিস্তান: ২৪৯/১০, শ্রীলঙ্কা: ১৫৮/১০, আফগানিস্তান জয়ী
আফগানিস্তান: ২৩২/১০, শ্রীলঙ্কা: ২৩৬/৬, শ্রীলঙ্কা জয়ী
শ্রীলঙ্কা: ২৫৩/৬, আফগানিস্তান: ১২৪/১০, শ্রীলঙ্কা জয়ী