বিশ্বকাপ ২০১৯-এর ১৪তম ম্যাচে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রখম ব্যাট করা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। গত দু-তিন বছরে ভারতের রানের সিংহভাগই এসেছে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের হাত ধরে। এদিনও তাঁদের ব্যাটই কথা বলল। শুরুটা করেছিলেন রোহিত শর্মা (৫৭) ও শিখর ধাওয়ান (১১৭)। প্রথম উইকেটেই তাঁরা ১২৭ রান তুলে দেন। আর সেই ভিতের উপর ৫ উিকেটে ৩৫২ রানের  পাহাড় গড়ে দিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৮২) ও হার্দিক পাণ্ডিয়া (৪৮)।

আইসিসি টুর্নামেন্ট ও ধাওয়ানের সম্ভবত কিছু অন্যরকম যোগাযোগ রয়েছে। তবে শুধু আইসিসি টুর্নামেন্ট বলেই নয়, ইংল্যান্ডের মাঠে, বিশেষত ওভালে শিখর ধাওয়ানের রেকর্ড অনবদ্য। আর সেই পয়া মাঠেই ফর্মে ফিরলেন তিনি। অনুশীলন ম্যাচ এমনকী বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও তিনি রান পাননি। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ব্যাট করতে দেখা যায় তাঁকে।

ভারতের ব্যাটিং-এর একটা নিজস্ব ধাঁচ রয়েছে। প্রথমদিকে বেশ দেখেশুনে শুরু করে, পরে ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো। আর শেষ দিকে গিয়ে একেবারে পঞ্চম গিয়ারে তোলা। এদিনও সেইভাবেই এগোয় ভারত। শুরুর ৭ ওভারে ২২ রান উঠেছিল। সেখান থেকেই আস্তে আস্তে রান তোলার গতি বাড থাকেন রোহিত-শিখর জুটি। রোহিত শর্মারই এদিন সেভাবে ব্যাটে বলে হচ্ছিল না। গব্বরই আগ্রনী ভূমিকা নেন।

রোহিত ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনিও প্রথম দিকে অজি জোরে বোলারদের খেলতে সমস্যায় পড়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটিতেও বড় ভূমিকা নেন গব্বরই। তিনি ১১৭ রান করে ফিরলেও ৩৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করে ফেলেছিল ভারত।

এইখান থেকে আরও দ্রুত হারে রান কোলার লক্ষ্যে  হার্দিক পাণ্ডিয়াকে চার নম্বরে নামানো হয়। কিন্তু প্রথম বলেই উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন পাণ্ডিয়া। তবে কেরি তা ধরে রাখতে পারেননি। তারপর কিন্তু তুমুল মারলেন হার্দিক। যার ফলে অজি বোলারদের লাইন লেন্থ নষ্ট হয়ে যায়। যার ফসল পান বিরাটও। শে, পর্যন্ত ২৭ বলে ৪৮ করে আউট হল পাণ্ডিয়া। আর বিরাট কোহলি থামলেন ৭৭ বলে ৮২ রানে।