বুধবার এজবস্টনে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪৯ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪১ রান তুলল দক্ষিণ আফ্রিকা। রেকর্ড বই বলছে ২০১৫ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের মাঠে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে তোলা সর্বনিম্ন দলগত রানের তালিকায় এই রানটা রয়েছে পাঁচ নম্বরে। স্কোরটা দেখে মনে হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্য়াটিং-এ ভরাডুবি হয়েছে। কিন্তু, মাথায় রাখতে হবে এদিনের পিচ কিন্তু ব্যাটিং-এর জন্য খুবই কঠিন।

এদিন শুরুতে বৃষ্টি না হলেও মাঠ ভেজা তাকায় খেলা শুরু হতে দেরী হয়। টসে জিতে আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। এদিনই এজবাস্টনে বিশ্বকাপের প্রথম ম্য়াচ হল। গত একসপ্তাহ দারুণ বৃষ্টি হয়েছে বার্মিংহামে। আর তার কারণে সারা সপ্তাহই পিচ ছিল কভারের নিচে। এদিন খেলা শুরুর পর দেখা যায় পিচে কোনও কোনও বল পড়ে নিচু হয়ে যাচ্ছে। আবার কোনও বল আচমকা লাফিয়ে উঠছে।

শুরুতেই আফট হয়ে যান ডি কক (৫)। এরপর বেশ কষ্ট করে হলেও একদিক ধরে রেখে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান হাশিম আমলা। ৮৩ বল খেলে ৫৫ রান করেন তিনি। ডুপ্লেসিস (২৩), মার্করামরা (৩৮) রান পেলেও রান তোলার গতি কখনই বাড়াতে পারেননি।

তা সত্ত্বেও দক্ষিণ আফ্রিকা যে মোটামুটি লড়াই করার জায়গায় পৌঁছল তার কৃতিত্ব ভ্যান ডার ডুসেঁ (৬৭) ও  ডেভিড মিলার (৩৬)-র। ডুসেঁ-কে নিয়ে বড় স্বপ্ন রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। তিনিই প্রোটিয়া দলের ব্যাটিং-এর ভবিষ্যত হয়ে উঠতে পারেন বলেও মনে করেন অনেকে। এদিন কিন্তু তিনি দেখিয়ে দিলেন তাঁকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাটা অমূলক নয়। এই ব্য়াটসম্য়ানদের জন্য় বিভীষিকাসম পিচেও তিনি ১০০ উপর স্ট্রাইক রেট রেখে ব্যাট করলেন। মারলেন ৩টি ছয় ও ২টি চার।

ব্ল্যাক ক্যাপস বোলারদের মধ্য়ে এদিনও সবচেয়ে সফল লকি ফার্গুসন। ৫৯ রান দিয়ে নিলেন ৩টি উইকেট। বোল্ট পেয়েছেন ১টি উইকেট। ম্য়াচ হেনরি উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে রান দিলেন মাত্র ৩৪।
 
দক্ষিণ আফ্রিকার রানটা আজকের টি২০-এর যুগে অত্যন্ত কম মনে হতে পারে। কিন্তু পিচ যেরকম ব্যবহার করছে তাতে রাবাডা, এনগিদি, মরিসদের সামনে লক্ষ্য তাড়া করাটা সহজ হবে না কিউইদের।