বিশ্বকাপের প্রথম দিনই নিজেদের ২০১৫ সালের পারফরম্যান্সকে একদিক থেকে ছাপিয়ে গেল বাংলাদেশ। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ২০১৯-এর ষষ্ঠ ম্যাচে রাবাডা-এনগিদি-তাহির'দের শক্তিশালী বোলিং লাইন-আপের বিরুদ্ধে ৩৩০ রানের পাহাড় গড়লেন বাংলাদেশী ব্য়াটসম্যানরা।

শুরুটা খুব ভালো করেছিলেন তামিম (১৬) ও সৌম্য (৪২)। বিশেষ করে সৌম্য দুর্দান্ত খেলছিলেন। কিন্তু অষ্টম ও দ্বাদশ ওভারে দুজনেই ফিরে যান। এখান থেকে বাংলাদেশের ইনিংস গড়ার কাজটা শুরু করেছিলেন সাকিব আল হাসান (৮৪ বলে ৭৫ রান) ও মুশফিকুর রহিম (৮০ বলে ৭৮ রান)। এদিন তৃতীয় উইকেটে নিজেদের মধ্যে ১৪২ রানের  জুটি গড়েন তাঁরা। যা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড।

এরপর মহম্মদ মিঠুন (২১) হাত খুলে খেলা শুরু করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিনি ফেরার পরপরই প্যাভিলিয়নের রাস্তা নেন মুশফিকুর-ও।

কিন্তু এরপর আবার ডেথ ওভারে ৪১ বলে ৬৬ রানের একটি জুটি গড়েন। মো,াদ্দেক হোসেন করেন ২০ বেল ২৬। আর মাহমুদুল্লা ৩৩ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। যার জেরে ৩৩০ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দেয় বাংলাদেশ।

এটাই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে ২০১৫ সালের অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে নেলসনে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪ উইকেটে ৩২২ রান তুলেছিলেন বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা। এর আগে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ওই এরকবারই ৩০০ রান পার করেছিল।   

বিশ্বকাপের ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস:

৩৩০-৬ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ওভাল, ২০১৯
৩২২-৪ বনাম স্কটল্যান্ড, নেলসন, ২০১৫
২৮৮-৭ বনাম নিউজিল্যান্ড, হ্যামিল্টন, ২০১৫
২৮৩-৮ বনাম ভারত, ঢাকা, ২০১১

তবে এদিনের রানটা শুধু বাংলাদেশের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস তাইই নয়, একদিনের ক্রিকেটের ইতিহাসেই এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে ২০১৫ সালে ঢাকায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ৩২৯ রান করেছিল বাংলাদেশ। এতদিন সেটাই ছিল তাঁদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস:

৩৩০-৬ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ওভাল, ২০১৯
৩২৯-৬ বনাম পাকিস্তান, ঢাকা, ২০১৫
৩২৬-৩ বনাম পাকিস্তান, ঢাকা, ২০১৪
৩২৪-৫ বনাম শ্রীলঙ্কা, ডাম্বুল্লা, ২০১৭