বর্তমানে তিনি বিশ্বকাপের এক নম্বর অলরাউন্ডার। ২০০৭, ২০১১, ২০১৫ তারপর ২০১৯ - রবিবার কেরিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নামলেন বাংলাদেশী অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আর প্রথমদিনই নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন তিনি। প্রথমে ব্য়াট হাতে ৭৫ রান করলেন, আবার বল হাতে সেট ব্য়াটসম্য়ান এডেন মার্করামকে বোল্ড করে দিলেন তিনি। আর তারফলেই - আব্দুর রজ্জাক, সনৎ জয়সূর্য, জ্যাক কালিস, শাহিদ আফ্রিদিদের মতো একদিনের ক্রিকেটের কিংবদন্তিদের এলিট ক্লাবে ঢুকে পড়েন তিনি।  

আগেই তাঁর একদিনের ক্রিকেটে ৫০০০ রান সম্পূর্ণ হয়েছিল। আর রবিবার মার্করামের উইকেট নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উইকেট সংখ্যা হল ২৫০। একদিনের ক্রিকেটে এই কীর্তি সাকিবের আগে রয়েছে শুধুমাত্র উপরে উল্লেখ করা চার ক্রিকেটারেরই। পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে এই বিরল ক্লাবে পা রাখলেন বাংলাদেশী অলরাউন্ডার।

এদিন সাকিব মুশফিকুর রহিম (৮০ বলে ৭৮ রান)-কে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৪২ রানের  জুটি গড়েন। এটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড। এদিন সাকিব মোট ৮ টি চার ও ১টি ছয় মারেন। ৮.২ ওভারে ৬০ রানে তামিমের উইকেট পড়ার পর তিনি নেমেছিলেন। সেখান থেকে দলকে ৩৫.১ ওভারে ২১৭-৩ রানে পৌঁছে দেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত ইমরান তাহিরের একটি গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়ে যান তিনি।

তবে বল করতে এসেও দারণ পারফর্ম করেছেন সাকিব। ডু প্লেসিস ও মার্করাম নিজেদের মধ্যে ৫১ রানের জুটি গড়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই ২০তম ওভারের তৃতীয় বলে র্করামকে বোল্ড করে বড় ধাক্কা দেন সাকিব। আর সেই সঙ্গেই য়ারের ২৫০তম উইকেটটি শিকার করেন তিনি।  

ওয়ানডেতে ৫০০০-এর বেশি রান এবং ২৫০-এর বেশি উইকেট নেওয়া অলরাউন্ডাররা:

আব্দুর রজ্জাক (পাকিস্তান): ৫০৮০ রান, ২৬৯ উইকেট
সনৎ জয়সূর্য (শ্রীলঙ্কা): ১৩৪৩০ রান, ৩২৩ উইকেট
জ্যাক ক্যালিস (দক্ষিণ আফ্রিকা): ১১৫৭৯ রান, ২৭৩ উইকেট
শাহিদ আফ্রিদি (পাকিস্তান): ৮০৬৪ রান, ৩২৫ উইকেট
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ): ৫৭২২ রান, ২৫০ উইকেট