শনিবার লন্ডনের কেনিংটন ওভালে আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯-এর সরকারি গা-ঘামানো ম্যাচে পিচে সামান্য সবুজ ঘাসের আস্তরণ ছিল। আর তাকে কাজে লাগালেন নিউজিল্যান্ডের জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। এর আগে নিজেদের দেশের মাটিতে দুরন্ত সুইং-এ ভারতের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। এদিন নিলেন ৪টি। আর একই ভাবে সুইংএর সামনে আত্মসমর্পন করল ভারতীয় ব্য়াটিং। একমাত্র রবীন্দ্র জাদেজা (৫০ বলে ৫৪) ও কিছুটা হার্দিক পাণ্ডিয়া (৩৭ বলে ৩০) ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারলেন না। ফলে ৩৯.২ ওভারে ১৭৯ রানেই গুটিয়ে গেল ভারতের ইনিংস।

এদিন বোল্টের দাপটে প্রথম ৬ ওভারের মধ্যেই রোহিত শর্মা (২), শিখর ধাওয়ান (২), এবং কেএল রাহুল (৬) ফিরে গিয়েছিলেন প্যাভিলিয়নে। একমাত্র বোল্টের বিরুদ্ধএ স্বচ্ছন্দে ব্য়াট করছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের প্রথম ওভারেই ছন্দপতন ঘটে তাঁর। তার আগে যোগ করেন ১৮টি রান।

ধোনি ও কেদার যাদবের আগে এদিন ৫ নম্বরে পাঠানো হয় হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। কয়েকটি দর্শনীয় কভার ড্রাইভ-সব বেশ ভালো খেলছিলেন তিনি। কিন্তু দলকে ভরসা দিতে ব্যর্থহন তিনিও। তবে তাঁর সঙ্গে ভালো জুটি গড়ে উঠেছিল এমএস ধোনির (১৭)। উইকেটে প্রান্ত বদল করে, প্রয়োজন মতো বল ছেড়ে তিনি কিছুক্ষণের জন্য উইকেটের পতনে ব্রেক লাগাতে পেরেছিলেন। কিন্তু, ফিনিশার ধোনিকে পাওয়া যায়নি।

আলাদা করে বলতেই হবে রবীন্দ্র জাদেজার কথা। অলরাউন্ডার হার্দিক এদিন ব্য়াটসম্য়ানের ভূমিকা পালন করতে না পারলেও জাদেজা কিন্তু জোরে বল থেক স্পিন - সবই খেললেন অনায়াসে। ২০ ওভারে ৮১ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ক্রিজে এসেছিলেন তিনি। সেখান থেকে ৩৬ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে ১৭৭ রানে ভারতকে পৌঁছে দেন তিনি। কুলদীপ যাদবের সঙ্গে তিনি নবম উইকেটে ৬২ রানের জুটি না গড়ে তুললে সামান্য লড়ার জায়গাও পেতেন না বুমরা-শামি'রা।