ষষ্ঠ ম্যাচেও জয় পেল ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৬৭/৭ রান করেছিল ভারত বিরাট করেন ৭২ রান জবাবে ওয়েস্টইন্ডিজ ১৪৩ রানেই গুটিয়ে গেল 

লাগাতার একেবারে নিখুঁত জায়গায় বল রেখে গেলেন ভারতের সব বোলাররাই। ওল্ড ট্রাফোর্ডের এই উইকেটে এর আগে বেশ কয়েকটি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। তাই উইকেট বেশ মন্থর ছিল। বল পড়ে থমকে আসছিল। ওয়েস্টইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা আবার বড় শট নিয়ে রান করতে অভ্যস্ত। কিন্তু মন্থর পিচ ও ভারতীয় বোলাররা মারার এতটুকু জায়গা না দেওয়ার ফাঁদে পড়ে তাঁরা রীতিমতো হাসফাস করলেন। ভারতের ৩৬৭ রানটা কিন্তু খুব বেশি ছিল না। কিন্তু মাত্র ১৪৩ রানেই গুটিয়ে গেল ক্যারিবিয়ান ইনিংস। ভারত জয় পেল ১২৫ রানে! ম্যাচের সেরা হলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন - আরও এক স্বাভাবিক বিরাট দিন - পিছনে পড়লেন সচিন-লারা-সৌরভ-দ্রাবিড়রা

আরও পড়ুন - ভুল সিদ্ধান্ত, নাকি তৃতীয় আম্পায়ারের রোষ, কিসের শিকার রোহিত! ক্ষোভে ফুসছে নেটিজেনরা

আরও পড়ুন - বিশ্বকাপে গড়াপেটা, ভারত ছেড়ে দেবে ম্যাচ! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারের

এদিন ম্য়াচের শুরুটা হয়েছিল বিতর্ক দিয়ে। রিপ্লে দেখে রোহিত শর্মার যে আউট ছিলেনই তা স্পষ্ট না হলেও তাঁকে আউট দিয়ে দেন তৃতীয় আম্পায়ার। এরপর যদিও ইনিংসের হাল ধরে নিয়েছিলেন কোহলি (৭২) ও কেএল রাহুল (৪৮)। কিন্তু রাহুল ফেরার পর ফের ভারতের মিডল অর্ডার ব্যর্থ হয়। বিজয় শঙ্কর (১৪) ও কেদার যাদব (৭) কিছুই করতে পারেননি।

স্বাভাবিকভাবেই যেভাবে শুরু করেছিলেন কোহলি, সেই গতি ধরে রাখতে পারেননি। আর আরও মন্থর গতিতে শুরু করেছিলেন এমএস ধোনি। এর মধ্যে একবার স্টাম্প হতে হতে বাঁচলেন। পরে কিছুটা মেরামত করলেও রানের গতি সেভাবে বাড়াতে পারেননি প্রাক্তন অধিনায়ক। একেবারে শেষ। ওভারে অর্ধশতরান পান। ডেথ ওভারে কিছুটা দ্রুত রান তুললেন হার্দিক (৪৬)।

রান তাড়া করার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে একেবারে প্রথম থেকেই বেঁধে ফেলেছিলেন বুমরা ও শামি। ভারতের বাকি বোলাররা প্রত্য়েকেই উইকেট পেয়েছেন। তবে আলাদা করে বলতেই হবে মহম্মদ শামির কথা।

আফগানিস্তান ম্য়াচের পর এই ম্যাচেও তিনি ৪টি উইকেট নিলেন। দুই ম্য়াচে ৮ উইকেট নেওয়ার পর কিন্তু ভুবির ফেরার রাস্তা ক্রমে কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এদিন গেইল (৬), শাই হোপ (৫), হেটমায়ার (১৮) ও থমাস (৬) - তাঁর শিকার। ৬.২ ওভার বল করে১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেন তিনি।

আর বুমরা ৬ ওভারে ৯ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট। চাহালও নিলেন ২ উইকেট, কুলদীপ ও হার্দিক ১টি করে।

ওয়েস্টইন্ডিজ দলের একজনও এদিন ব্য়াট হাতে দাঁড়াতেই পারলেন না। একমাত্র সুনিল অম্বরিশ (৩১) ও নিকোলাস পুরান (২৮) একটি ৫৫ রানের দজুটি গড়েছিলেন। আর কেউ ২৫ রানই করতে পারেননি।

এই পরাজয়ের ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপে গ্রুপ থেকেই ওয়েস্টইন্ডিজের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল। আর ভারত ঢুকে পড়ল সেমি ফাইনালের বৃত্তে।