বুধবার বিশ্বকাপ ২০১৯-এর অষ্টম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯২ সালে বেনসন অ্যান্ড হেজেস বিশ্বকাপে প্রথমবার দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। তারপর থেকে আরও তিনবার বিশ্বমঞ্চে ভারত-প্রোটিয়া দ্বৈরথ দেখা গিয়েছে। এই চার ম্যাচে কিন্তু বেশ কয়েকজন ভারতীয় তারকার খুব ভালো পারফর্ম্যান্স দেখা গিয়েছিল। কপিলদেবের ঝোড়ো ইনিংস থেকে বিশ্বকাপের প্রথম ম্য়াচেই দাদার প্রায় শতরান করে ফেলা, সচিন তেন্ডুলকারের শতরান, শিখর ধাওয়ানের শতরান দেখা গিয়েছে। কিন্তু চার ম্য়াচে মাত্র ১টি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল ভারত।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বমঞ্চে দ্বৈরথের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস -  

১৯৯২ - বৃথা গিয়েছিল কপিলের ঝড়

অ্য়াডিলেড ওভালে টসে জিতে ভারতকে আগে ব্য়াট করতে ডেকেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টির জন্য ওভার কমে ৩০ ওভারে নেমে আসে। অধিনায়ক আজহারউদ্দিন করেছিলেন ৭৯ রান। আর পাঁচ নম্বরে নেমে কপিলদেব মাত্র ২৯ বলে ৪২ রান করেছিলেন। জবাবে পিটার কার্স্টেনের ৮৪ ও  অ্যান্ড্রু হাডসনের ৫৩ রানের দৌলতে ৫ বল বাকি থাকতে জয়ের রান তুলে দিয়েছিল প্রোটিয়ারা। সেরা নির্বাচিত হন কার্স্টেন।

ফলাফল - দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে জয়ী


১৯৯৯ - কাজে আসেনি দাদার ইনিংস

টসে জিতে, আগে ব্য়াট নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক আজহারউদ্দিন। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ৯৭ রান করেন। দ্রাবিড় করেছিলেন ৫৪। ভারত তোলে ২৫৩/৫। জবাবে জ্যাক কালিসের ৯৬ রানের দৌলতে ৪৭.৩ ওভারেই রানটা তুলে দিয়েছিল ক্রোনিয়ের দক্ষিণ আফ্রিকা।

ফলাফল - দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ী ৪ উইকেটে

২০১১ - হারতে হয়েছিল শেষ ওভারে

২০১১ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ধোনির ভারত। কিন্তু গ্রেম স্মিথের দলের সামনে গ্রুপ ম্য়াচে হারতে হয়েছিল। টসে জিতে আগে ব্য়াট নিয়েছিলেন ধোনি। তেন্ডুলকরের শতরান (১১১) ও সেওয়াগ (৭৩) ও গম্বীর (৬৯)-এর বড় রানে ভারত দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু ডেল স্টেইন ৫ উইকেট নিয়ে ৪৮২ ওভারে ভারতকে ২৯৬ রানে অলআউট করে দেন। জবাবে আমলা (৬১), কালিস (৬৯), ডিভিলিয়ার্স (৫২)-এর অর্ধশতরানে একেবারে ২ বল বাকি থাকতে জয়ের রানে পৌঁছেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ফলাফল - দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ী ৩ উইকেটে

২০১৫ - অবশেষে এল প্রথম জয়

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে এসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে প্রথম ম্য়াচ জেতে ভারত। টসে জিতে এবারও আগে ব্য়াট নিয়েছিলেন ধোনি। শিখর ধাওয়ান ১৩৭ রান করেন। কোহলি করেছিলেন ৪৬ আর রাহানে করেছিলেন ৭৯। ভারত তুলেছিল ৩০৭/৭। জবাবে একমাত্র ডুপ প্লেসিস (৫৫) অর্ধশতরান পেয়েছিলেন। ডিভিলিয়ার্স করেছিলেন ৩০। আর কেইউ ২৫ রানও করতে পারেননি। ৪০.২ ওভারে মাত্র ১৭৭ রানেই তারা অলআউট হয়ে যায়।

ফলাফল - ভারত জয়ী ১৩০ রান