এইবারের বিশ্বকাপ নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। ধারে ভারে প্রতিযোগিতার মানে আগের সব বিশ্বকাপকে ছাপিয়ে যাবে - এমনটাই বলেছিল আইসিসি। আর বিশ্বকাপের প্রথম দিনই তা সত্যি হওয়ার ইঙ্গিত মিলল। ক্রিকেট দলগত খেলা হলেও কখনও কখনও কওনও খেলোয়াড় এমন ব্যক্তিগত ঝলক দেখান, যা স্পটলাইটের সব আলো কেড়ে নেয়। বৃহস্পতিবার স্টোকস-ও এমনই এক কান্ ঘটালেন।

টি-২০ ক্রিকেটের দৌলতে বর্তমানে বাউন্ডারি লাইনে অনেক ভালো ভালো ক্যাচ ধরার নজির তৈরি হচ্ছে। তবে স্টোকস সাম্প্রতিককালের সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন। কেনিংটন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংসের ৩৫তম ওভারে ফেহলুকাওইও আদিল রশিদের একটি বল স্লগ সুইপ করেছিলেন মিড উইকেট এলাকা দিয়ে।

সকলে ধরেই নিয়েছিলেন বলটি ছয় হতে চলেছে। আর এখানেই দারুণ উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দেন ইংরেজ অলরাউন্ডার। বলটি লক্ষ্য পিছনের দিক করে তিনি ঝাঁপ মারেন। বলের দিকে পিছন ঘুরে, না দেখেই আন্দাজকে কাজে লাগিয়ে তিনি এক হাতে মাঝ আকাশেই বলটিতে তালুবন্দী করেন। বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম স্পেশাল ক্যাচ তো বটেই।

 

 

🤯 🤯 https://t.co/dRAGa3z1fJ

— Cricket World Cup (@cricketworldcup) May 30, 2019

ওই ক্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ জেতার আশায় শেষ পেরেক পুঁতে দেয় বলা যায়। ১৮০ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায় তাঁর। শেষ পর্যন্ত ১৪ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা।

বেন স্টোকস ব্যাট ও বল হাতেও দারুণ অবদান রেখেছেন বৃহস্পতিবারের ম্যাচে। তাঁর ৮৯ রানই ইংরেজ ইনিংস ৩০০পার করা নিশ্চিত করে। তারপরে বল হাতেও ২টি উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু, তারপরেও সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে এই ক্যাচ নিয়েই। ১৯৯২ বিশ্বকাপে ইনজামাম উল হককে, জন্টি রোডস-এর ছুটে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে রান আউট করাটা বিশ্বকাপের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। এই ক্যাচও কিন্তু  তার কাছাকাছিই থাকবে।