ক্রিকেট মাঠে ও মাঠের বাইরে বরাবরই নাছোড় মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন যুবরাজ সিং। বারে বারেই ফিরে এসেছেন লড়াই করে। ২০১৬ সালে হ্যাজেল কিচের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ঠিক তার আগেই ক্যানসারকে হারানোর চার বছরের মধ্য়ে ফের ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল যুবরাজের। আর সেটাই ছিল যবুর ক্রিকেট কেরিয়ারের সবচেয়ে আবেগ ঘন মুহূর্ত, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী হ্যাজেল।

২০১১ সালে ভারতকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন যুবরাজ। তাঁর ক্ষমতার পূর্ণ প্রকাশ যখন ঘটছে ঠিক সেই সময়ই ধরা পড়েছিল ফুসফুসের ক্যানসার। ২০১২ সালে ক্যানসারের বিরুদ্ধেও জিতে গিয়েছিলেন যুবি। তারপর থেকে ক্রমাগত একটাই লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন তিনি - ভারতীয় দলে ফিরতে হবে। আর তা নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেই।

২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি২০আই সিরিজে ভারতীয় দলে ফেরানো হয়েছিল তাঁকে। আর ভারতীয় দলের কিট ও সুটকেস যুবির কাছে পৌঁছতেই আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন পঞ্জাবি শের। হ্যাজেল-যুবরাজের বিয়ের ঠিক আগ দিয়েই ওই ঘটনা ঘটেছিল। তাঁর পক্ষে বা ভারতীয় দলের হয়ে খেলা ক্রিকেটাররা ছাড়া কারোর পক্ষেই সেই আবে বোঝা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন হ্যাজেল। তিমি আরও জানান, কাঁদতে কাঁদতে যুবি সমানে একটাই কথা বলছিলেন, 'কখনও ভাবিনি আবার ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পাব।'

হ্যাজেল মনে করেন যুবি একেবারে ঠিক সময়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন। তিনি জানিয়েছেন, যুবি কবে অবসর নেবেন, স্ত্রী হিসেবে তা ঠিক করে দেওয়া তাঁর কাজ নয়। তবে যুবি নিজে যখন মনে করেছেন সরে যাবেন, তখন তাঁর সিদ্ধান্তকে তিনি পূর্ম সমর্থন করবেন।

যুবরাজ সোমবার জানিয়েছেন, আপাতত অখণ্ড অবসর কাটাবেন। বছর দুয়েক পর কোচিং বাশঅন্য কাজের কথা ভাববেন। কাজেই আপাতত স্ত্রী হ্যাজেকে দেওয়ার জন্য তাঁর হাতে অনেক সময়। হ্যাজেল জানিয়েছেন তাঁদের পরিচয়ের পর থেকে যুবিকে খেলতেই দেখেছেন। তিনি নিজেও কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কাজেই এইবার একটা অন্যরকম জীবন শুরু করতে চলেছেন তাঁরা।