২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর ক্রিকেট থেকে ধোনির দূরে থাকা ও ঋষভ পন্থের ধারাবাহিকতার অভাব, এই দুই কারণেই কিপিং গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কে এল রাহুল। ব্যাটিং স্বপ্নের ফর্মে থাকলেও, কিপার হিসেবে দলের প্রত্যাশা পূরণের সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন লোকেশ রাহুল। সাম্প্রতিক সময়ে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে উইকেটের পিছনে তাঁর পারফরম্যান্স স্বস্তি দিচ্ছে ভারতীয় দলকে। কিন্তু ধোনি পরিবর্ত হওয়াটা যে কী পরিমাণ চাপের তা টের পাচ্ছেন রাহুল। উইকেটের পিছনে দাঁড়ালেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনির সঙ্গে তাঁর তুলনা শুরু হয়ে যাবে। বল ধরতে না পারলে সেই চাপ আরও বাড়তে থাকবে। এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাহুল।

আরও পড়ুনঃগড়াপেটার প্রস্তাব পেয়েও জানাননি বোর্ডকে,৩ বছরের নির্বাসিত উমর আকমল

এপ্রসঙ্গে ৩২টি ওয়ান-ডে ও ৪২টি টি-২০ খেলা রাহুল বলেছেন,‘দেশের হয়ে কিপিং করতে নামলেই আমি নার্ভাস হয়ে পড়ি। কারণটা আর কিছুই নয়, দর্শকদের চাপ অনুভব করতে শুরু করে দিই। বল একটা ঠিকঠাক ধরতে না পারলেই দর্শকরা মনে করতে শুরু করে দেন, ধোনির শূন্যস্থান পূরণ করা এর পক্ষে সম্ভব হবে না। ধোনির মতো একজন কিংবদন্তি উইকেট কিপারের জায়গা নেওয়াটা কঠিনই। কারণ, ওর পারফরম্যান্সের সঙ্গে সমর্থকদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।’

আরও পড়ুনঃলকডাউন ভেঙে পার্টি করায় শাস্তি এভার্টন ফুটবলারের,২ সপ্তাহের বেতন কাটা গেল মোয়েস কিনের

আরও পড়ুনঃনিজের ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও আফসোস করেন প্যান্সভ

দক্ষিণী উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান আরও জানিয়েছেন,‘ব্যাপারটা এমন নয় যে আমি উইকেটকিপিংয়ের সঙ্গে অভ্যস্ত নই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ ও কর্নাটকের হয়ে রঞ্জি খেলার সময় আমি উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব সামলাতে অভ্যস্ত। যারা ক্রিকেট দেখেন তারা জানেন আমি উইকেটকিপিংয়ের থেকে খুব বেশি সময় দূরেও নেই। তাই দলের প্রয়োজনে এমন একটা ভূমিকা পালন করতে আমি সবসময় আরও আগ্রহী।’ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি সীমিত ওভারের সিরিজে ধারবাহিকভাবে কিপিং করতে দেখা গিয়েছে রাহুলকে। ধোনির মত দক্ষতা বর্তমানে রাহুলের না থাকলেও, কিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে রাহুলকেই  এগিয়ে রাখছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।