ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শেষ। ২৩ তারিখ বোর্ডের সভাপতির পদে দায়িত্ব নেবেন সৌরভ। তারপরের দিনই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলার জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা। বিরাট টি-২০ সিরিজে খেলছেন না। টেস্টে মাঠে নামবেন তিনি। ইডেনে ভারত-বাংলাদেশ টেস্টে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যে সিরিজে নিয়ে এত পরিকল্পনা সেই সিরিজটাই এখন অথই জলে। সোমবার শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে এক সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন বাংলাদেশ টি-২০ ও টেস্ট দলের নেতা শাকিব আল হাসান। তবে সেখানে ভারত সফরেরে কোনও পরিকল্পনা নয়, ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বসলেন 'টাইগার'-রা। ১১ দফা দাবি বোর্ডের সামনে তুলে ধরেছেন শাকিবরা। সেই দাবি মানা না হলে মাঠে নামবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। 

আরও পড়ুন - '৮০-১০০ বছরের বৃদ্ধরা পারলে, আমরা কেন নই ', তরুণদের বার্তা সচিনের

বাংলাদেশ ক্রিকেটে এখন অর্থিক দিক থেকে একট সমস্যা চলছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মডেল বাতিল করে দিয়েছে। এতে টান পরছে ক্রিকেটারদের আয়ে। পাশপাশি বাংলাদেশ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট ম্যাচ ফি অনেকদিন থেকেই বাড়ানো হয়নি। তাই সোজা-সাপটা এগারো দফা দাবি তুলে ক্রিকেট বোর্ডকে চাপে ফেলার রাস্তায় হেঁটেছেন শাকিবরা। এই দাবিগুলির মধ্যে যেমন আর্থিক বিষয় রয়েছে, তেমনই বাংলাদেশ ঘরোয়া ক্রিকেটে একাধিক দুর্নীতির কথাও উঠে এসেছে। শাকিবরা চাইছেন সব কিছ স্বচ্ছ হোক। উন্নতি হোক পরিকাঠামোর। যাতে আরও বেশি করে ক্রিকেট খেলতে পারেন দেশের ক্রিকেটাররা। একইসঙ্গে জাতীয় দল নির্বাচন নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। 

আরও পড়ুন - আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ঋদ্ধি, বাঙালিদের শিরদাঁড়ায় বইল রক্তের হিমেল স্রোত

শাকিবরা ক্রিকেট ব্যাট আপাতত তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে এই ধর্মঘটের আওতায় রাখা হয়নি। তাঁরা অনুশীলন করছেন বিশ্বকাপের জন্য। তবে এই ধর্মঘটের ফলে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। নভেম্বরের তিন তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে দুই দেশের ক্রিকেট-যুদ্ধ। ৩ তারিখ প্রথম টি-২০ ম্যাচ। তবে প্রশ্ন শাকিবরা কি ভারতে আসছেন। সবটাই নির্ভর করছে তাদের ক্রিকেট বোর্ডের ওপর। ক্রিকেটারদের ধর্মঘট প্রসঙ্গে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের।

আরও পড়ুন - ধারাবাহিকতা ধরে রাখাটাই চ্যালেঞ্জ, ভুল শুধরে নয়া শপথ সিন্ধুর