পঞ্চম দিনের খেলা শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টার মধ্যেই স্বপ্নভঙ্গ বাংলার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৮১ রানে শেষ হয় বাংলার ইনিংস। যার ফলে প্রথম ইনিংসে মূল্যবান ৪৪ রানের লিড পেয়ে গেল জয়দেব উনাদকাটের দল। একইসঙ্গে রঞ্জি জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল সৌরাষ্ট্রের। আর আরও একবার তীরে এসে বাংলার তরী ডোবা এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছিলেন পিচের যা চরিত্র তাতে প্রথম ইনিংসের লিডের উপরই নির্ভর করবে ট্রফি জয়ের ভাগ্য। আদতেও হলও তাই। ফলে বাংলা শিবিরে এখন শুধুই একরাশ হতাশা।

আরও পড়ুনঃমহামারি করোনা ভাইরাস, আপাতত বন্ধ বিশ্বের একাধিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

করোনা আতঙ্কের আবহেই শুরু হয় রঞ্জি ফাইনালের শেষ দিনের খেলা। সংক্রমণ রুখতে কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুসারে দর্শকশূন্য গ্যালারিতে শুরু হয় ম্যাচ। চতুর্থ দিনের শেষে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার ও ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন অর্ণব নন্দী। বাংলার স্কোর ছিল ৩৫৪ রানে ৬ উইকেট। ৩০ বছরের খরা কাটাতে ও আরও একবার বাংলাকে ভারত সেরা করতে অনুষ্টুপ-অর্ণব জুটিই শেষ ভরসা ছিল বাংলার। কিন্তু দিনের শুরুতেই  সৌরাষ্ট্র অধিনায়ক উনাদকাটের বলে ব্যক্তিগত ৬৩ রানে আউট হয়ে প্যাভেলিয়নে ফেরত যান অনুষ্টুপ। খাতা খুলতে পারেননি আকাশ দীপও। রান আউট হন তিনি। ধর্মেন্দ্র জাদেজার শিকার হন মুকেশ কুমার। অপরদিক থেকে লড়াই চালিয়ে যান অর্ণব নন্দী। কিন্তু উনাদকাটের বলে ঈশান পোড়েলের আউট হতেই স্বপ্নভঙ্গ হল বাংলার। ৩৮১ রানে শেষ হয় বাংলার প্রথম ইনিংস। ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন অর্ণব নন্দী।

 

 

পঞ্চম দিনের খেলা যেদিকেই গড়াক, বড়সড় অঘটন কিছু না ঘটলে প্রথম ইনিংসে লিডের সৌজন্য়ে সৌরাষ্ট্রের রঞ্জি জয় এনন শুধু সময়ের অপেক্ষা। টেনশন কাটিয়ে রঞ্জি জয়ের আনন্দে এখন অনেকটাই চার্জডআপ সৌরাষ্ট্র দল। সেলিব্রেশন করতেও দেখা যায় তাদের। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করছে উনাাদকাটের দল। অপরদিকে একরাশ হতাশা ও স্বপ্ন ভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ো বোলিং করছে বাংলা দল। আরও একবার ট্রফির এতকাছে পৌছেও তা অধরা থাকায় হতাশ বাংলার ক্রিকেট প্রেমিরা।

আরও পড়ুনঃ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে শেষ দুটি ওয়ান-ডে খেলবে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা

আরও পড়ুনঃকরোনা আতঙ্কে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ট্যুরিস্ট ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, জোর ধাক্কা আইপিএলে