মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটা স্বপ্নের মতো হয়েছে ভারতীয় দলের। সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেছে যে এর চেয়ে ভালো গৌরচন্দ্রিকা ভারতের পক্ষে হওয়া সম্ভব ছিল না। ২১ শে ফেব্রুয়ারি ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের যাত্রা শুরু করেছে। প্রথম ম্যাচেই অপ্রত্যাশিতভাবে সকলকে চমকে দিয়ে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারায় ভারত। তার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত মুখোমুখি হয়েছিল প্রতিবেশী বাংলাদেশের। সেই ম্যাচেও লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। এইবার গ্রূপ পর্বের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করে নক-আউট পর্বে যেতে প্রস্তুত ভারত। 

যদিও সাম্প্রতিক অতীতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রেকর্ড ভালো নয় ভারতের। শেষবারের ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতকে ৩-০ ফলে হোয়াইটওয়াশ করেছিল ভারত। সেই সিরিজে বার বার ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। টপ অর্ডার ভালো শুরু করলেও নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ের সামনে প্রতি ম্যাচে ভারতের মেরুদন্ড ভেঙে যায়। যার ফলে লজ্জাজনক ভাবে সিরিজ খোয়াতে হয় ভারতকে। 

শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচে ভারতের কাছে হার স্বীকার করতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। ৫১ বলে ১০৩ রানের অসাধারণ একটা ইনিংস খেলেছিলেন বর্তমান অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর। কিন্তু ওই বিশ্বকাপের পর থেকে তার ব্যাটে সেই ঝলক দেখা যায়নি। এই বিশ্বকাপের দুই ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ১০ রান করেছেন ভারত অধিনায়ক। বিশ্বকাপে এখনো বোলাররা একসাথে ভালো পারফরম্যান্স করলেও ব্যাটিং খুব একটা দানা বেঁধে ওঠেনি। বলতে গেলে দুটি ম্যাচই ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর ভর করে বার করেছে ভারত। শেফালী ভার্মা, পুনম যাদব-রা বলতে গেলে একার হাতে ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছেন ভারতকে। কিন্তু এভাবে সম্পূর্ণ একটি টুর্নামেন্ট জেতা সম্ভব নয় সেটা ভালোই জানেন হরমনপ্রীতরা। তাই তারা চাইবেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দল হিসাবে সুন্দর পারফরম্যান্স করে ম্যাচ জিততে। পর পর দুই ম্যাচ জিতে নক-আউট নিশ্চিত ভারতের। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে তারা সকলে খোলা মনে পারফরম্যান্স করতে পারবেন। এখন দেখার এই ম্যাচে ভারত দল হিসাবে ফর্মে ফিরতে পারে কিনা।