ICC T20 World Cup 2026: মুখোমুখি হয় জিম্বাবোয়ে বনাম ওমান। সেই ম্যাচেই ৮ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয়। অন্য ম্যাচে, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা। সেই ম্যাচে ৫৭ রানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। 

ICC T20 World Cup 2026: জমে উঠেছে টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। মেগা টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবোয়ে (oman vs zimbabwe)। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে সোমবার, মুখোমুখি হয় জিম্বাবোয়ে বনাম ওমান। সেই ম্যাচেই ৮ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় জিম্বাবোয়ে। অন্য ম্যাচে, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা। সেই ম্যাচে ৫৭ রানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা (canada vs sa)।

জিম্বাবোয়ে বনাম ওমান হাইলাইটস 

এই ম্যাচে টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবোয়ে। আর প্রথমে ব্যাট করতে নেমে, শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে ওমান। ওপেনার আমির কলিম এবং অধিনায়ক যতিন্দর সিং, দুজনেই মাত্র ৫ রান করে যোগ করেন স্কোরবোর্ডে। ওয়াসিম আলীর সংগ্রহে ৩ রান, সুফিয়ান মেহমুদের ঝুলিতে ২৫ রান এবং বিনায়ক শুক্লা করেন ২৮ রান। এছাড়া জিতেন রামানন্দী করেন ১ রান, নাদিম খান ২০ রান, শাকিল আহমেদ ৪ রান এবং শাহ ফয়সাল ৫ রান যোগ করেন স্কোরবোর্ডে। 

Scroll to load tweet…

হাম্মাদ মির্জা এবং করণ সোনাভালে কোনও রানই করতে পারেননি। ১৯.৫ ওভারে, ১০৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ওমান। জিম্বাবোয়ের হয়ে ৩টি করে উইকেট পান রিচার্ড নাগারভা, ব্লেসিং মুজারাবানি এবং ব্র্যাড ইভান্স। ১টি উইকেট অধিনায়ক সিকান্দার রাজার দখলে। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে, খুব একটা বেগ পেতে হয়নি জিম্বাবোয়েকে। ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৪৮ রান করেন এবং অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।আরেক ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানির সংগ্রহে ২১ রান। তবে ডিওন মায়ার্স খালি হাতে ফেরেন। ব্রেন্ডন টেলর করেন ৩১ রান এবং সিকান্দার রাজা ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। 

মাত্র ১৩.৩ ওভারে, ২ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান তুলে নেয় জিম্বাবোয়ে। ওমানের হয়ে ২টি উইকেটই নেন সুফিয়ান মেহমুদ। জিম্বাবোয়ে ৮ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয়। ম্যাচের সেরা ব্লেসিং মুজারাবানি। 

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা হাইলাইটস

এই ম্যাচে টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় কানাডা। আর প্রথমে ব্যাট করতে নেমে, রানের পাহাড় গড়ে প্রোটিয়া ব্রিগেড। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম খেলেন ৩২ বলে ৫৯ রানের অসাধারণ ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ১৮৪.৩৮। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টি চার এবং ১টি ছয়। দলের উইকেটকিপার-ব্যাটার কুইন্টন ডি ককের সংগ্রহে ২৫ রান, রায়ান রিকেলটনের ঝুলিতে ৩৩ রান এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস করেন ৬ রান। সেইসঙ্গে, ডেভিড মিলার ৩৯ রানে এবং ট্রিস্টান স্টাবস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে, ৪ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। 

Scroll to load tweet…

বিশেষ করে মার্করাম-ডি কক জুটি ৪১ বলে ৭০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। তবে সেখানেই শেষ নয়, মার্করাম-রিকেলটন জুটি ২৮ বলে ৫৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় মিলার-স্টাবস জুটি। ৩৭ বলে ৭৫ রানের জুটি গড়েন এই দুই প্রোটিয়া তারকা। সেই সুবাদেই এত বড় স্কোর।

কানাডার হয়ে ৩ উইকেট নেন আনশ প্যাটেল। ১টি উইকেট পান অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে, খুব একটা লড়াই করতে পারেনি কানাডা। দিলপ্রীত বাজওয়া খালি হাতে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা লাগান। যুবরাজ সামরা করেন ১২ রান, নিকোলাস কির্টনের সংগ্রহে ৪ রান এবং শ্রেয়াস মোভার ঝুলিতে ৯ রান। হর্ষ ঠাকের করেন ৩৩ রান, সাদ বিন জাফরের ঝুলিতে ১১ রান এবং ডিলন হেইলিগারের সংগ্রহে ৪ রান। কালিম সানা করেন ৫ রান এবং জাসকরন সিং কোনও রান পাননি।

নির্ধারিত ২০ ওভারে, ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান তুলতে সক্ষম হয় কানাডা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪ উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিডি। ২টি উইকেট পেয়েছেন মার্কো জ্যানসেন। এছাড়া ১টি করে উইকেট কাগিসো রাবাডা এবং করবিন বোশের দখলে। দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৭ রানে জয় ম্যাচ জিতে নেয়। সেরা খেলোয়াড় লুঙ্গি এনগিডি। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।