গত মার্চ মাসে বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই পরিস্থিতিতে অন্যান্য খেলার মতই স্থগিত বা বাতিল হয়ে যা সমস্ত ধরনের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলের মতই ফিরছে ক্রিকেট। ৮ জুলাই ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট সিরিজ। তবে অন্যান্য দেশে করোনা সংক্রমণের হার এখনও না কমায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করার সাহস দেখাত পারছে না। এরইমধ্যে সোমবারই নিউজিল্যান্ডকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আর্দার্ন। জানানো হয়েছে সর্বশেষ করোনা আক্রান্ত যিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনিও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অর্থাৎ, ৫ মিলিয়ন জনবসতিপূর্ণ দেশটিতে আপাতত সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য। নিউজিল্যান্ডের করোনা মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই দাবি উঠতে শুরু করেছে নিউজিল্যান্ডকে করোনা পরবর্তী সময় টেস্ট ক্রিকেটের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহাররের। ইতিমধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করে দিয়েছে প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

আরও পড়ুনঃকলকাতা লিগে ফের বাগানের হেডস্যার হতে পারেন সঞ্জয় সেন

আরও পড়ুনঃফের হাঁটুর চোটে কাবু,চলতি বছরে আর মাঠে নামবেন না ফেডেক্স

নিউজিল্যান্ডকে করোনা মুক্ত ঘোষণার পরই উচ্ছাস প্রকাশ করেছিল সেদেশের ক্রিকেটাররা। সোশ্যা মিডিয়ায় পোষ্ট করে জানিয়ছিলেন কিউইদের নির্ভরযোগ্য অলরাোউন্ডার জিমি নিশাম। এবার প্লেয়ার্স অ্যাসোসয়িয়েশনও ভাবছে নিউজিল্যান্ডের যদি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সিরিজ করানো যায়। এই বিষয়ে প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখ্য আধিকারিক হিথ মিলস বলছেন, নিউজিল্যান্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করার চিন্তায় রয়েছি আমরা। যেহেতু নিউজিল্যান্ড করোনামুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে তাই এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবে বিবেচনাযোগ্য।এমন অবস্থায় মিলসও আশাবাদী নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব দিলে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবে। গত এপ্রিলেই ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কাছে কাউন্টি আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। ইসিবি’র মুখ্য আধিকারিক টম হ্যারিসন সেই ঘটনার সত্যতাও স্বীকার করে নিয়েছিলেন। তাছাড়া নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টিও নতুন কিছু নয়। ২০০৯ লাহোরে শ্রীলঙ্কার টিম বাসে জঙ্গি হা,অলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে তাদের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে আসছে পাকিস্তান। ফলে যত দিন না ক্রিকেট খেলায় দেশগুলি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনরে জন্য প্রস্তুত না হচ্ছে ততদিন সকলকে আশার আলো দেখাচ্ছে কিউইরা। এখন শুধু অপেক্ষা নিউজিল্যান্ডের সম্মতির।

আরও পড়ুনঃসৌরভের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শোয়েব,বললেন এমন সাহসী ক্রিকেটার দেখিনি