করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে দেশে দেশে চলছে লকডাউন। ফুটবল শুরু হলেও, এখনও বল গড়ায়নি ২২ গজে। ফলে লকডাউনে বাড়িতে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাতে হচ্ছে সকলকে। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়াতেও সক্রিয়তা বেড়েছে দেশে-বিদেশের সকল ক্রিকেটারদের। লাইভ চ্যাটে একে অপরের সঙ্গে আড্ডাও দিচ্ছেন তারা। এই সকল আড্ডা থেকেই উঠে আসছে ক্রিকেটের একাধিক নয়া ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভে আড্ডায় বসেছিলেন প্রাক্তন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক ও বর্তমান এমসিসি চেয়ারম্যান কুমারা সঙ্গাকারা। সেই চ্যাটেই আলোচনা প্রসঙ্গে সঙ্গাকার বলেন,২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনালে ওয়াংখেড়েতে দুবার টস করেছিলেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।

আরও পড়ুনঃপাক সেনা দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়ে খৈনী খেয়েছিলেন আফ্রিদি,ফের ভাইরাল সেই ভিডিও

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। ২৮ বছর পর অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে বিশ্ব জয়ের স্বাদ পেয়ছিব মেন ইন ব্লরা। সেই ফাইনাল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অশ্বিনকে সঙ্গাকারা জানান,'ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ২০১১ আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মরণীয় মুহূর্ত যদি হয়ে থাকে ধোনির দুরন্ত ছক্কায় ভারতের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া, তবে ছোট্ট একটা বিতর্কও দেখা দিয়েছিল ম্যাচের একেবারে শুরুতে। অনেকেরই হয়তো মনে নেই যে, বিশ্বকাপ ফাইনালে ধোনি দু'বার টস করেছিলেন। প্রথমবার টস নিয়ে সংশয় দেখা দেওয়ায় ম্যাচ রেফারি দ্বিতীয়বার টস করার নির্দেশ দেন ধোনিকে। দ্বিতায়বার টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।' একইসঙ্গে সাঙ্গা যোগ করেন,‘ওয়াংখেড়েতে প্রচুর সংখ্যায় দর্শক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের চিৎকার ছাড়া বাকি কোনও শব্দ শুনতে পাওয়া মুশকিল ছিল। একমাত্র ইডেনে এমনটা দেখেছিলাম। ইডেনে উইকেটকিপিং করার সময় প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারের কথাও শুনতে পেতাম না। তারপরেই ওয়াংখেড়ের বিশ্বকাপ ফাইনালে এরকম অভিজ্ঞতা হয়। আমি টসের সময় হেড বলেছিলাম, ধোনি সেটা শুনতে পায়নি। ও আমাকে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি টেল বললে? আমি বলেছিলাম না, আমার কল ছিল হেড।’

আরও পড়ুনঃটি-২০ বিশ্বকাপ কী আয়োজন করতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া,বোর্ড প্রধানের মন্তব্যে উঠছে প্রশ্ন

আরও পড়ুনঃএবার বাংলা ক্রিকেটে করোনার থাবা, আক্রান্ত বর্তমান নির্বাচক সাগরময় সেন শর্মা

টস প্রসঙ্গে সাঙ্গাকারা আরও বলেন, ‘ম্যাচ রেফারি প্রথমে বলেছিলেন আমি টস জিতেছি। তবে ধোনি নিশ্চিত ছিল না। ওই প্রস্তাব দেয় দ্বিতীয়বার টস করার। আমার ভাগ্য ভালো ছিল দ্বিতীয়বারেও হেড পড়ে এবং আমি টস জিতি। ভারত টসে জিতলে সম্ভবত প্রথমে ব্যাট করত।’ যদিও দুজনের সম্মতিতেই এই ঘটনা ঘটেছিল বলে কোনও বিতর্ক হয়নি। এছাড়াও ধোনি টস হেরেছিলেন। কিন্তু ম্যাচ হারেননি। তাঁর অপরাজিত ৯১ রানের সুবাদে দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে ভারত। যা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।