২০০৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন। তখন মাত্র তিনটি টেস্ট খেলিয়ে বাঁ হাতি ব্যাটসম্যানকে দল থেকে ছেঁটে ফেলেছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক মহম্মদ ইউসুফ ও নির্বাচকরা। তারপর থেকে শুধুই ঘরোয়া ক্রিকেট সঙ্গী ছিল ফওয়াদ আলমের। ২০০৯ সালে দল থেকে বাদ পরার পর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আর ফিরে আসতে পারেননি জাতীয় দল। ১০ বছর পর যে তাঁর ভাগ্যে আবার জাতীয় দলের জার্সি আসবে এমনটা বোধহয় স্বপ্নের ভাবেননি ফওয়াদ। কিন্তু এটাই বাস্তাব। শনিবার সবাইকে এই চমকটাই দিলেন পাকিস্তানের মুখ্য নির্বাচক ও কোচ মিশবা উল হক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণায় তিনি দলে ডেকে নিলেন ফাওয়াদ আলমকে। 

 

 

আরও পড়ুন - রবিবারই সিরিজের ফয়সালা চায় টিম ইন্ডিয়া, মান বাঁচানোর লড়াই পোলার্ডদের

এমন ডাক নিজেও আশা করেননি বাঁ হাতি এই পাক ব্যাটসম্যান। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুরন্ত অভিষেক হয়েছিল আলমের। প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন আলম। কিন্তু তারপর দুটি টেস্টে ব্যর্থ হতেই তাঁকে দলের বাইরের দরজা দেখিয়ে দেওয়া হয়। দল নির্বাচনে এমন চমক দেওয়ার পর মিশবা উল হক জানিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে আলমের দুরন্ত ফর্মের জন্য তাঁকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ১৬ বছরের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রায় ১৩ হাজার রান করেছেন ফাওয়াদ আলম। গড় প্রায় ৫৭। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানে গিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের বন্দুকের মুখের সামনে পরেছিল। তারপর থেকে সে দেশে আর টেস্ট ক্রিকেট হয়নি। দশ বছর বাদে আবার টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে পাকিস্তানে। আর দশ বছর বাদে জাতীয় দলে ফিরছেন আলম। 

আরও পড়ুন - ঘাতক উইকেটে আহত একাধিক ব্যাটসম্যান, খেলা বন্ধ মেলবোর্নে

দশ বছর বাদে ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে নামবে পাকিস্তান। সেদেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা থাকলেও পাকিস্তান দল চাপে। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে দুটি টেস্টেই ইনিংসে হারের মুখে পরতে হয়েছে তাদের। বাবর আজম ছাড়া আর কোনও ব্যাটসম্যান দলের সম্মান রাখার লড়াইটাও করতে পারেননি। শেষ টেস্টে লেগ স্পিনার ইয়াশির শাহ শতরান না করলে আরও বড় লজ্জার মুখ পরতে হত তাদের। এই অবস্থায় ঘরের মাঠে যাতে নিজেদের সেরাটা দেওয়া যায় তার চেষ্টাই করতে হবে পাকিস্তানকে। 

আরও পড়ুন - বিরাটের ব্যাটিং দেখে উচ্ছ্বসিত অমিতাভ বচ্চন, আপনিই অনুপ্রেরণা বললেন বিরাট