অভিষেকেই বাজিমাত দেবদূতের-
আইপিএলে অভিষেকে নজরে দেবদূত পাড়িকল। বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের হয়ে কাল রাতে অভিষেক হয়েছিল কর্ণাটকের ক্রিকেটারের। আর অভিষেক ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে কোহলির ভরসার মর্যদা দিলেন তরুণ বাঁ-হাতি। ৩৬ বলে এদিন হাফ সেঞ্চুরি হাঁকাতে পড়িক্কল ৮টি চার হাঁকিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৫৬ রান করে পাড়িকল আউট হন। 

পাল্টা প্রত্যাঘাত হায়দরাবাদ বোলারদের-
দশম ওভারের পর সানরাইজার্স বোলারদের কামব্যাক খানিকটা ম্যাচে ফিরিয়েছিল সানরাইজার্সকে। পর পর দুই বলে দুই সেট ব্যাটসম্যান দেবদূত এবং ফিঞ্চকে ফেরানোর পর সুবিধা করতে পারেননি বিরাট কোহলি। ইনিংসের প্রথমদিকে খানিকটা গুটিয়ে ছিলেন ডিভিলিয়ার্সও। 

ভরসার নাম এবি-
ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড গড়ে আইপিএল ২০২০ শুরু করলেন এবি ডিভিলিয়ার্স। এবিডি-র হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করেই কাল রাতে ১৬৩ রান তুলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৩০ বলে ডিভিলিয়ার্সের এদিনের ৫১ রানের ইনিংস ৪টি চার ও ২টি ছক্কা দিয়ে সাজানো। এই দুই ছক্কা হাঁকিয়ে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সিতে এবিডি ২০০টি ছক্কা হাঁকিয়ে ফেললেন।

কপাল পুড়লো চোটে-
মিচেল মার্শের চোট বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে। ম্যাচে নিজের একটি ওভার শেষ করার আগেই চোট পেয়ে উঠে যান তিনি। তার চোট সানরাইজার্সের ব্যাটিং বোলিং দুটি বিভাগেই প্রভাব ফেলে। 

গুটিয়ে ছিলেন কোহলিরা-
ডিভিলিয়ার্স ছাড়া অন্য কোনও আরসিবি ব্যাটসম্যানকে দেখে আজ মনে হয়নি বোলারদের শাসন করতে পারেন। ফিঞ্চ থেকে শুরু করে শিবম দুবে সকলেই আজ বড্ড বেশি গুটিয়ে ছিলেন। দেবদূত পাড়িকল অর্ধশতরান করলেও তার স্ট্রাইক রেট প্রশংসাযোগ্য ছিল না। 

কপাল মন্দ ওয়ার্নারের-
মরশুমের প্রথম ম্যাচ জিতে যাত্রা শুরু করার ক্ষেত্রে দলের অধিনায়ক ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করে ছিলেন হায়দরাবাদের সকলে। ডেল স্টেইনের প্রথম ওভারে একটি চার মেরে আশাও জাগিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত উমেশ যাদবের প্রথম ওভারে দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। 

স্পিনের ফাঁসেই হাঁসফাঁস-
স্পিন ভেল্কিতে বাজিমাত আরসিবির। ১৬ তম ওভারে টানা দুই বলে বেয়ারস্টো ও বিজয় শংকর তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ভারতীয় লেগ স্পিনারের ভেল্কিতেই ম্যাচের রাশ নিজেদের দিকে করে নিয়েছিল আরসিবি।

হতাশ করলেন প্রিয়ম-
ভারতীয় তরুণ তারকা প্রিয়ম গর্গকে নিয়ে অনেক বেশি প্রত্যাশা ছিল সকলের। এইরকম মঞ্চে জ্বলে উঠতে পারলে গোটা ভারতীয় ক্রিকেটকে বার্তা দিতে পারতেন প্রিয়ম।  কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময় চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে আউট হয়ে তার চয়ন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন তিনি নিজেই। 

ব্যাটে নয় তো বলে-
ব্যাট হাতে হতাশ করলেও বল হাতে সেই হতাশা পুষিয়ে নিয়েছেন শিবম দুবে। ম্যাচে তিন ওভার অত্যন্ত কৃপণ বোলিং করে মাত্র ১৫ রান দিয়ে প্রিয়ম গর্গ এবং চোটগ্রস্থ মিচেল মার্শের উইকেট তুলেছেন তিনি। 

গতিতে বাজিমাত সাইনির-
এরপর ১৮ তম ওভারে নভদীপ সাইনি ২ উইকেট তুলে নিয়ে জেরালো ধাক্কা দেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রশিদকে মাত্র ১ বলের ব্যবধানে তুলে নিয়ে সানরাইজার্সের অষ্টম উইকেট তুলে নিয়ে ওখানেই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি ঠিক করে দিয়েছিলেন নভদীপ।