IND vs WI Sanju Samson: ম্যাচের পর সঞ্জুর কথায়, “ফোন বন্ধ ছিল। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলাম। শুধু নিজের মনের কথা শুনেছি। আর মনকে বিশ্বাস করিয়েছি যে, আমি পারবই।"
IND vs WI Sanju Samson: ইডেনে সঞ্জু ঝড়। কার্যত, ক্রিকেটের নন্দনকাননে তাণ্ডব চালালেন তিনি। বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে এবং নিঃসন্দেহে ভারতীয় ক্রিকেটের মানচিত্রে নয়া অধ্যায় লিখলেন ভারতের তরুণ ওপেনার সঞ্জু স্যামসন (sanju samson performance in eden gardens)। দলের কঠিন সময়ে জ্বলে উঠল সঞ্জুর ব্যাট। লাগাতার ব্যর্থতার পরেই একটা যোগ্য জবাব দেওয়ার মতো ইনিংস। তারপরেই মুখ খুললেন সঞ্জু স্যামসন।
সঞ্জু স্যামসনের অসাধারণ সাহসী ব্যাটিং
চলতি টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে সুপার এইটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রবিবার, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মুখোমুখি হয় ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (IND vs WI T20 WC 2026)। সেই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচেই ৫ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় টিম ইন্ডিয়া। নেপথ্যে সঞ্জু স্যামসনের অসাধারণ সাহসী ব্যাটিং (sanju samson t20 world cup 2026)।
বিধ্বংসী ইনিংস এবং ২২ গজে পড়ে থেকে লড়াই। উপহার দিলেন ৫০ বলে ৯৭ রানের রাজকীয় ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ১৯৪.০০। সঞ্জুর ইনিংসে ছিল ১২টি চার এবং ৪টি ছয়। শেষপর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
ম্যাচের পর সঞ্জুর কথায়, “ফোন বন্ধ ছিল। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলাম। শুধু নিজের মনের কথা শুনেছি। আর মনকে বিশ্বাস করিয়েছি যে, আমি পারবই। হ্যাঁ, আমার শট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। সেইজন্যও অনেক পরিশ্রম করেছি, খেটেছি। কিন্তু সবটাই আবার বদলে ফেলতে চাইনি। কারণ, এই টেকনিকেই তো সফল হয়েছি এর আগে। তিনটে শতরানও পেয়েছি। তাহলে কেন সব বদলাতে যাব?"
ম্যাচ জিতিয়ে সঞ্জু কী বললেন?
তরুণ ওপেনার আরও যোগ করেন, "মাঝে মাঝে তো আমার নিজের উপরেই অবিশ্বাস তৈরি হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল যে, আমি হয়ত পারব না। এই ধরনের কথা মনে হলেই ইতিবাচক ভাবনা দিয়েই তার মোকাবিলা করা জরুরি। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ়েও রান পাইনি। কিন্তু তারপর ১০ দিনের বিশ্রাম পেয়েছিলাম। সেটা আমার কাজে লেগেছে।আমি ম্যাচ খেলছিলাম না। শুধু বেঞ্চে বসছিলাম। ভাবছিলাম, কেন রান আসছে না? কোথায় ভুল হচ্ছে? মনের সঙ্গে যুদ্ধ চলছিল। পরামর্শ অনেকেই দিয়েছে। তবে এই লড়াইটা আমার একার ছিল। সেটা জিতেছি। ইডেনে রান তাড়া সহজ ছিল না। আমাদের দলে ব্যাটারের অভাব নেই। শিশির পড়ার ফলে, ব্যাট করতে সুবিধা হচ্ছিল। কিন্তু নিয়মিত উইকেট পড়ছিল। তাই চ্যালেঞ্জও বাড়ছিল একটি একটু করে। সত্যি কথা বলতে গেলে, আমার অভিজ্ঞতা কাজে এসেছে। যখন উইকেট পড়তে শুরু করল, তখন নিজেকে বললাম, শেষপর্যন্ত, খেলে যেতে হবে।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।