গাড়ি  দুর্ঘটনায় (Car Accident) প্রয়াত (Passess Away) হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) প্রাক্তন আন্তর্জাতিক আম্পাার রুডি কোয়ের্তজেন (RudiKoertzen)।  গল্ফ খেলে বাড়ি ফেরার পথ দুর্ঘটনা বলে জানানো হয়েছে পরিবারের তরফে।  

তিনি মাঠে থাকলে দুই দলই নিশ্চিৎ থাকত খেলা সঠিকভাবেই এগোবে। ভুল সিন্ধান্ত দেওয়ার লোক তিনি নন। বোলারদের আউটের আপিলের পর তাঁর ধীর গতিতে আঙুল তুলে আউট দেওয়া ছিল ট্রেড মার্ক স্টাইল। বিশ্ব ক্রিকেটে যে সকল নামী আম্পায়াররা রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রুডি কোয়ের্তজেন। বর্তমানে অবসর জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু মর্মান্তিক এক পথ দুর্ঘটনায় প্রয়াত হলেন প্রাক্তন আন্তর্তাজিক প্রোটিয়া আম্পায়ার। ভারত-বনাম পাকিস্তান হাইভোল্টেজ একাধিক ম্যাচের দায়িত্ব সামলিছেন তিনি। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক অ্যাসেজ সিরিজেও দায়িত্বে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই আম্পার। একাধিক বিশ্বকাপেও দায়িত্বের সঙ্গে সামলেছেন দায়িত্ব। কিন্তু তার জীবনের শেষ সঠিকভাবে হল না। ৭৩ বছর বয়সে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রয়াত হলেন প্রাক্তন আম্পায়ার রুডি কোয়ের্তজেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে ছুটি কাটিয়ে কেপটাউন থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রুডি কোয়ের্তজেন। নেলসন ম্যান্ডেলা বে-তে নিজের বাড়িতেই প্রোটিয়া আম্পায়ার ফিরছিলেন। সেই সময় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কোয়ের্তজেনের গাড়ি। সেখানেই মৃত্যু হয় তারকা আম্পায়ারের। সেই দুর্ঘটনায় কোয়ের্তজেন ছাড়াও আরও তিন জন মারা গিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। রুডি কোয়ের্তজেনের পরিবারের তরফেও জানানো এই দুর্ঘটনার কথা। রুডি কোয়ের্তজেনের ছেলের এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন,'বন্ধুদের সঙ্গে গলফ খেলতে গিয়েছিল বাবা। সোমবারের মধ্যে ওদের বাড়ি ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু ওরা বোধ হয় অন্য কোথাও গলফ খেলতে চলে গেল।' দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। 

প্রসঙ্গত, ক্রিকেট অন্ত প্রাণ ছিলেন রুডি কোয়ের্তজেন। সেই কারণেই আম্পায়ারিংয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে লাগাতার ভালো আম্পায়ারিংয়ের ফলে আইসিসির প্যানেলভুক্ত হন রুডি। ১৯৯২ সালে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হয় তাঁর। ২০১০ সাল পর্যন্ত আম্পায়ারিং করেন তিনি। ২০০৩ এবং ২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করেছিলেন তিনি। নিজের দীর্ঘ কেরিায়ারে ০৮টি টেস্ট এবং ২০৯টি এক দিনের ম্যাচ ও ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন রুডি কোয়ের্তজন। এমন গাড়ি দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্য়ুর খবর পেয়ে স্তম্ভিত গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করার পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সকলে।