করোনা ভাইরাসের মারণ তাবা ক্রমশ বিস্তার লাভ করছে পাকিস্তানে। কোভিড ১৯-এর জেরে পাকিস্তানেও বন্ধ সমস্ত ধরেনর স্পোর্টিং ইভেন্ট। দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও লতডাউনের ফলে বিশ্বের যে সব ক্রিকেট খেলীয় দেশের বোর্ডের আর্থিক অবস্থার হাল খুব খারাপ,তাদের মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে করোনা আক্রান্ত হয়ে এর আগে দু’জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন করাচির রাজু শেখ ও পোশোয়ারের জাফর সরফরাজ। ৪৩ ম্যাচে ১১৬ উইকেট নেওয়া লেগস্পিনার রাজুর মৃত্যু হয়েছে চলতি সপ্তাহের গোড়ায়। ৫০ বছর বয়সি আর এক জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার জাফর সরফরাজের মৃত্যু হয়েছে এপ্রিলে। দুই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারের মৃত্যু হলেও, করোনাকে জয় করলেন প্রাক্তন পাকিস্তান ওপেনার তৌফিক উমর।

আরও পড়ুনঃ৩০ হাজার দর্শক নিয়ে ফুটবল ম্যাচ,কোরানাকে থোরাই কেয়ার

আরও পড়ুনঃকেরিয়ারের শেষ স্বপ্নপূরণ নিয়ে সংশয়ে টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

সপ্তাহ দুয়েক আগে তৌফিক উমরের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে। তড়িঘড়ি তাকে কোয়ারেন্টাইন করা হয় ও তৌফিকের চিকিৎসা শুরু করা হয়। সমম্প্রতি করা তার করোনা পরীক্ষার টেস্ট নেগেটিভ আসে। এত তাড়াতাড়ি তৌফিক করোনা ভাইরাসকে পরাজিত করার স্বস্তির হাওয়া পাকিস্তান ক্রিকেটে। পাকিস্তানের জাতীয় জুনিয়র নির্বাচন কমিটির সদস্য তৌফিক উমর। করোনা মুক্তির পর প্রাক্তন পাক ওপেনার জানিয়েছেন,'দুই সপ্তাহ আগে নিজেকে একটা ঘরে বদ্ধ করে ফেলেছিলাম। শিশুদের ও পরিবারের বয়স্ক লোকদের থেকে একেবারে দূরে ছিলাম। করোনা হলেও আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই মানুষের। আমি বলব, সবাই যেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দেন।' এছাড়াও করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেছেন তৌফিক উমর। অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। । একইসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন সবাইকে। বলেছেন,'নিজেদের খেয়াল রাখুন, প্রত্যেকের কাছে এটাই আমার আবেদন। কোভিড ১৯-কে সিরিয়াসলি নিন সবাই। সামাজিক দূরত্ব আর সতর্কতা ব্যবস্থা নিতেই হবে সবাইকে।' তৌফিক উমরের করোনা মুক্তির খবরে স্বস্তির পরিবেশ তার পরিবারেও। দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন প্রাক্তন পাক ওপেনার।

আরও পড়ুনঃআচমকা নেট দুনিয়ায় ভাইরাল বিরাট-অনুষ্কার ডিভোর্স,আসল কাহিনীটা কী