ইডেনে শুরু ঐতিহাসিক পিঙ্ক বল টেস্ট ইডেন বেল বাজিয়ে উদ্বোধন শেখ হাসিনা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হল পরিচয় পর্ব ইডেনে বিশেষ অতিথি রানি মুখোপাধ্যায়, বললেন নানা কথা

গত এক সপ্তাহ ধরে ইডেন তৈরি হয়েছিল এই দিনটার জন্য। শুক্রবার সকাল দশটার বিমানে কলকাতা এসে পৌঁছালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখান থেকে হোটেল হয়ে ক্রিকেটের নন্দন কাননে উপস্থিত হয়েছিলেন হাসিনা। ইডেনে তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডেনে দুই নেত্রী বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ইডেন বেল বাজিয়ে ভারতের প্রথম দিন রাতের টেস্টের উদ্বোধন করলেন। তার আগে দুজনই মাঠে নেমে দুই দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিচয় পর্বটাও সেরে নিলেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

Scroll to load tweet…

আরও পড়ুন - পিঙ্ক বল টেস্টে টস জয় বাংলাদেশের, প্রথমে ফিল্ডিং করছে ভারত

Scroll to load tweet…

দিন রাতের টেস্ট নিয়ে ইডেনে চাঁদের হাট। বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায় উপস্থিত হয়েছিলেন ম্যাচ সম্প্রচারকারী চ্যানেলের অনুষ্ঠানে। টিভি পর্দায় নিজের ক্রিকেট প্রেমের কথা জানালেন রানি। তিনি বসেছিলেন সুনীল গাভাসকারের পাশে। জানালেন ছোট বেলায় যখন মা বাবার হাত ধরে মাঠে যেতেন তখন থেকেই সানিকে তাঁর পছন্দ। তারপর সচিনের খেলার ভক্ত ছিলেন। তিনিও একজন বাঙালি তাই সৌরভ ভারতীয় ক্রিকেটের মঞ্চে আসার পর আর পাঁচ জন বঙ্গ সন্তানের মত রানিও মহারাজের ভক্ত হয়ে উঠেছিলন। কিন্তু এখন আর সেভাবে ক্রিকেট দেখা হয় না রানির। তবে যেকুটু খবর পান তাতে বিরাট যে বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেটের নক্ষত্র সেই খবরটাও আছে রানির কাছে। ইডেনের মাঠে এসে উচ্ছ্বসিত বলিউডের অভিনেত্রী। 

আরও পড়ুন - গোলাপি টেস্টে রুনা লায়লা ও জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডুয়েট, 'বিরাট' শো ইডেনে

তবে শুরুটা শুধু মাত্র ঝলক। এখনও ইডেনে পিঙ্ক বল টেস্ট নিয়ে অনেক কিছুই বাকি। প্রথম পর্বের খেলার শেষে থাকছে বিশেষ চ্যাটশো। সেখানে থাকবেন সচিন, সৌরভ, লক্ষণ, কুম্বলে, হরভজনরা। ইডেন টেস্টে অংশ নিতে শহরে এসে পৌছে গেছেন সানিয়া মির্জারা। প্রথম দিবের খেলার শেষে থাকছে এক ঘন্টার বিশেষ অনুষ্ঠান। তাই সিনেমার ভাষায় বলতে গেলে ম্যাচের শুরুতে শুধু ট্রেলার পাওয়া গেছে। গোটা ছবি এখনও বাকি। 

আরও পড়ুন - বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে না রোহিতকে, ধাওয়ানকে আরও একটা সুযোগ দিয়ে চমকহীন দল বাছাই