অসমে বৃষ্টিতে বাতিল হয়েছিল প্রথম  টি ২০ ম্যাচ। তাই সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করতে চাইছিল দুই দেশই। কিন্তু শেষ হাসি হাসল টিম ইন্ডিয়া।  ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে  ৭ উইকেটে হারিয়ে ম্যাচ জিতে নিল ভারত। ১৫ বল বাকি থাকতেই কুমারাকে ছক্কা হাঁকিয়ে হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতে নেন কোহলি৷

তিন ম্যাচের ভারত-শ্রীলঙ্কা সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় ৷ রবিবার গুয়াহাটিতে নির্ধারিত সময়ে টস হলেও ম্যাচ শুরু করা যায়নি। ২০ ওভারের না হলেও ঠিক হয়েছিল ম্য়াচ হবে ৫ ওভারের। কিন্তু গ্রাউন্ডসম্যানদের অসাবধানতার জন্য বাতিল হয়ে গেল ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টি-২০ ম্য়াচ।  টসের পরেই গুয়াহাটিতে প্রবল বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টি২০ শুরু করা যায়নি। দু'বার মাঠ ঘুরে দেখেও ম্য়াচের ঝুঁকি নেননি আম্পায়াররা। 

এদিন তাই দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে লিড নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছিল দুটো দল। ইন্দোরে টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন ক্যাপ্টেন বিরাট ৷ বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্য়াচ হিসাবেই ম্যাচকে দেখছিলেন তিনি। চাপের মুখে তরুণদের পারফর্মমেন্স দেখতে চাইছিলেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন। সেকারণেই টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে মনে করছে ক্রিকেট থিঙ্ক ট্য়াঙ্কস। 

১৪৩ রান তাড়া করতে নেমে ১৭.৩ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত৷ রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে এদিন ভারতীয় ইনিংস শুরু করেছিলেন শিখর ধাওয়ান ৷ শুরুটা ভালোই করে ভারত৷ ওপেনিং জুটিতে ৭১ রান তোলে রাহুল-ধাওয়ান জুটি৷ ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ডি সিলভার বলে আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন রাহুল৷ কিন্তু ততক্ষণে ৩২ বলে ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি হাঁকান রাহুল৷ 

কিন্তু এখানেই রিস্ক নেন কোহলি। তিন নম্বরে নিজে না এসে পাঠান শ্রেয়স আইয়ারকে। ধাওয়ানের সঙ্গে শ্রেয়স ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান৷ ৩২ বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন ধাওয়ান। এরপর আর দেরি করেননি কোহলি৷  ১৭ বলে দুটো ওভার বাউন্ডারি ও একটা বাউন্ডারি-সহ ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ম্য়াচ জয়ের সময়শ্রেয়স অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে৷ ২৬ বলে তিনটি চার ও একটি ছয় মারেন তিনি৷ সব মিলিয়ে শুরুটা ভালোই হল টিম ইন্ডিয়ার।