২৪ বছরের ক্রিকেট কেরিয়ার সচিন তেন্ডুলকরের। খেলেছেন ২০০টি টেস্ট ম্যাচ ও ৪৬৩টি একদিনের ম্যাচ। এত দীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারে কোনও একটি নির্দিষ্ট সিরিজকে নিজের জীবনের সেরা সিরিজ হিসেবে বেছে নেওয়া খুবই কঠিন। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই সেটা বাছতে গিয়ে নিজের ভাল পারফর্ম করা কোনও সিরিজকেই বেছে নেবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে নামটা যে সচিন তেন্ডুলকর। তাই তিনি ব্যক্তি থেকে দলকেই প্রাধান্য দিলেন। নিজের কেরিয়ারের সেরা সিরিজ হিসেবে বেছে নিলেন ২০০১ সালের ঐতিহাসিক ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজকে।

সেই সময় পরপ ১৬টি টেস্ট অপারজিত ছিল স্টিভ ওয়ার অস্ট্রেলিয়া দল। কোনও দল আদৌ থামাতে পারবে কিনা অজিদের অশ্বমেধের ঘোড়া তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছিল। প্রথম ম্যাচে শোচনীয়ভাবে হারতেও হয়েছিল ভারতীয় দলকে। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন অজিদের হারানো অসম্ভব। কলকাতায় দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ভারতকে ফলওয়ান করায় অস্ট্রেলিয়া। আর তারপরই রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মণের রূপকথার পার্টনারশিপে প্রত্যাবর্তন করে ভারতীয় দল দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে ঘুড়ে দাঁড়ায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দল।

তৃতীয় টেস্টেও রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সিরিজ জেতে ভারত। একইসঙ্গে অজিদের অশ্বমেধের ঘোড়ায় লাগাম পড়ায় ভারতীয় দল। সিরিজে দুরন্ত পারফরমেন্স করেন হরভজন সিং, রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণরা। মোটামুটি পারফর্ম করলেও, সেই সিরিজে উল্লেখজনকভাবে কিছু করতে পারেননি মাস্টার ব্লাস্টার। কিন্তু তারপরও নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারের সেরা সিরিজ বাছতে গিয়ে ২০০১ সালের ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সিরিজকেই বেছে নেন সচিন। ক্রিকেটের ইতিহাসে সেই সিরিজ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও জানান তিনি।