ভারতীয় ক্রিকেটের ব্রহ্ম ও বিষ্ণু বলতে তাঁদের দুজনের নাম উঠে আসে। সচিন তেন্ডুলকর ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দুজনই এখন অন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দুরে সরে এসেছেন। কিন্তু বহু বছরের পুরোন বন্ধুত্বে এখনও এতটুকুও ছেদ পরেনি। খেলা ছাড়ার পর থেকে সৌরভ ক্রিকেট প্রশাসনে নিজের আগ্রহ দেখিয়ে এসেছেন। সচিন প্রশাসনে আসেননি এখনও। কিন্তু বন্ধু সৌরভ ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসনে বসতে চলেছেন, এমন সময় সচিন তাঁর ‘দাদি’কে শুভেচ্ছা জানাবেন না সেটা কি করে হয়। এখনও মুখোমুখি দেখা হয়নি। তাই টুইট করেই মাস্টার ব্লাস্টার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌরভকে। 

 

 

আরও পড়ুন - ভারতীয় ক্রিকেটকে বদলে দিয়েছে সৌরভ, বিসিসিআই সভাপতিকে অভিনন্দন জানালেন শোয়েব আখতার

সচিনের আশা সৌরভ এতদিন যে ভাবে ভারতীয় ক্রিকেটের সেবা করে এসেছেন আগামী দিনে বোর্ডের সভাপতির আসনে বসেও একই রকম ভাবে সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। স্বাধীনতার পর ক্রিকেটারদের প্রতিনিধি বোর্ড সভাপতির আসনে বসতে চলেছেন, তাই ক্রিকেটম মহলের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। দুই বন্ধুর দেখা হলে সচিনও নিশ্চয়ই ভারতীয় ক্রিকেটর আগামীর পথ নিয়ে কথা হবে। সচিন অধিনায়কত্ত্ব থেকে সরে আসার পর সৌরভ ধরেছিলেন ভারতীয় দলের ব্যাটন। তারপর যা হয়েছে সেটা ইতিহাস। আর এই ইতিহাস তৈরি করতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে লড়াই করেছেন দুই বন্ধু। 

আরও পড়ুন - হাউসফুল যুবভারতীকে হতাশ করেছেন তাঁরা, বলছেন ভারত অধিনায়ক সুনীল

 

৮০’র দশক থেকে বয়েস ভিত্তিক টুর্নামেন্ট খেলার সময় থেকে ,পরিচয় সচিন ও সৌরভের। তারপর একসঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে খেলা। যে সময়টাকে ভারতীয় ক্রিকেটের সোনার যুগ বলা হয়। এমনকি খেলা ছাড়ার পরও বিভিন্ন বিষয়ে এক মঞ্চে পাওয়া গেছে সচিন সৌরভকে। তা সে ভারতীয় দলের কোচ নির্বাচন হোক বা আইএসএলে দুটি ফুটবল দলের মালিকানা। সচিন-সৌরভ জুটি এখনও বর্তমান। সচিনের শহরই এবার আগামী দশ মাসের জন্য প্রশাসক সৌরভের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে। 

আরও পড়ুন - বিসিসিআই সভাপতি সৌরভকে রাজকীয় বরণ সিএবির, ইডেনে ফিরে অতীত নিয়ে সরব মহারাজ