চাপের মধ্যেও মার্নাস লাবুশানের দুরন্ত শতরান। অভিষেক টেস্টেই উইকেট পেলেন টি নটরাজন ও ওয়াশিংটন সুন্দর। চোট সমস্য়ায় জর্জরিত ভারতীয় দলে বুমরা ও অশ্বিনকে শত চেষ্টা করেও খেলাতে পারেনি। ফলে ব্রিসবেনে অভিষেক হয় নটরাজন ও সুন্দরের। সুযোগ পান শার্দুল ঠাকুরও। ৪ পেসার এবং ১ স্পিনার অলরাউন্ডার নিয়ে শুক্রবার ব্রিসবেনে মাঠে নামে ভারত। টেস্ট ক্রিকেটে এই ৫ বোলারের মিলিত অভিজ্ঞতা ৪ ম্যাচের। কিন্তু  নজর কাড়ল ভারতের অনভিজ্ঞ বোলিং লাইন লাইনআপ। ব্রিসবেনে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল টেস্টে দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর। অধিনায়ক অজিঙ্কে রাহানে লাবুশানের ক্যাচ না ফেললে ম্যাচের রেজাল্ট অন্যরকমও হতে পারত। 

এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক টিম পেইন। কিন্তু শুরুটা ভলো হয়নি। দলের ৪ রানের  মাথায়  মহম্মদ শিরাজের বলে আউট হব ডেভিড ওয়ার্নার। ১ রান করে  তিনিষ দ্বিতীয় উইকেট পেকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। ১৭ রানের মাথায় শার্দুল ঠাকুরের  বলে অউট হন মার্কাস হ্যারিস। ৫ রান করেন তিনি। এরপর ইনিংসের রাশ কিছুটা ধরার চেষ্টা করেন মার্নাস লাবুশানে ও স্টিভ স্মিথ। দুজনে ৭০ রানের পার্টনারশিপ করেন। দলের ৮৭ রানের মাথায় ৩৬ রান করে আউট হন স্মিথ। অভিষেক টেস্টে স্মিথকে আউট করে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর ম্য়াথু ওয়েড ও মার্নাস লাবুশানে ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।  নিজের অর্ধশতরানও পূরণ করেন লাবুশানে। ১১৩ রানের পার্টনারশিপ করেন ওয়েড ও লাবুশানে জুটি। ২০০ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন হয়। ৪৫ রান করে আউট হন ওয়েড। টেস্টে ক্রিকেট নিজের প্রথম উউইকেট পান টি নটরাজন। 

একদিক থেকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান লাবুশানে। নিজের শতরানও পুরণ করেন তিনি। চাপের মধ্যে তাকর অনবদ্য শতরানের প্রশংসা করেন সকলে। কিন্তু ব্যক্তিগত ১০৮ রানে থামতে হয় লাবুশানেকে। নিজের দ্বিতীয় উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন নটরাজন। ৫ উইকেটের পতনের টিম পেইন ও ক্যামেরন গ্রিন রয়েছেন ক্রিজে। ৬১ রানের পার্টনারশিপও গড়ে ফেলেছেন তারা। ২৮ রানে অপরাজিত গ্রিন ও পেইন অপরাজিত  ৩৮ রানে। দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২৭৪ রানে ৫ উইকেট। দ্বিতীয় দিনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস শেষ করার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে টিম ইন্ডিয়া।