বাংলাদেশ তথা বিশ্বের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্য়ে অন্যতম সাকিব আল হাসান। সম্প্রতি করোনা মোকাববিলায় নিজের ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন সাকিব। সেখানথেকে পাওয়া অর্থ তুলে দিয়েছেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায়। পাশাপাশি সাকিব আল হাসান ও তাঁর স্ত্রী শিশিরের  ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। ২৪ এপ্রিল জন্ম হয় সাকিবের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের। তারপর থেকে বাংলাদেশ তথা বিশ্ব জুড়ে সাকিব ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন সাকিবের দ্বিতীয় মেয়ের নাম জানার।  মেয়ের আট দিন বয়সের মাথায় নাম জানালেন সাকিব নিজেই। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার তাঁর দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন ইরাম হাসান। ইরাম শব্দের অর্থ ‘জান্নাত’। অর্থাত্, স্বর্গ।

আরও পড়ুনঃকরোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে ফেসবুকের উদ্যোগে ভার্চুয়াল কনসার্ট,বলি তারকাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কোহলি

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই অনুগামীদের নিজের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের নাম জানান সাকিব আল হাসান। ফেসবুক পেজে মেয়ের নাম রাখার কার্ডের সঙ্গে কয়েকটি হলুদ রঙের ফুল রেখে লিখেছেন, ২৪ এপ্রিল, রোজার প্রথমদিন, শুক্রবার আমাদের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। আল্লাহর আরেকটি উপহার আমাদের কাছে এসেছে। আমরা ওর নাম রেখেছি ইরাম হাসান। যার অর্থ জান্নাত। ৭ এপ্রিল নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সাকিব তাঁর বড় মেয়ে আলায়নার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘বিগ সিস্টারহুড।’ অর্থাত্, বাড়িতে নতুন অতিথি আসার খবর তিনি আগেই দিয়েছিলেন।সাকিবের স্ত্রী শিশির সন্তান জন্ম দেওয়ার অনেক আগে থেকেই মার্কন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। এর পর সাকিব সেখানে যান। কিন্তু তাঁকে ১৪ দিন বাড়ির সামনে একটি হোটেলে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়। তার পর তিনি সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকার অনুমতি পান।  

আরও পড়ুনঃমাঠে ধোনি থাকলে পরিস্থিতি সকলের কাছেই সহজ হয়ে যায়, জানালেন পন্থ

আরও পড়ুনঃ৩৯ লক্ষ টাকার তহবিল গঠন আইসিএ-র, অনুদান দিলেন কপিল দেব,সুনীল গাভাস্কাররা

নিজের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের নাম জানানোর পর থেকেই শুভেচ্ছায় বন্যায় ভেসে যান সাকিব আল হাসান। সাকিবের স্ত্রীকেও শুভেচ্ছা জানান সকলে। বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন মা ও নবজাতক। ছোট বোন পেয়ে খুশি সাকিবের বড় মেয়েও। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে সাকিব প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। 
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সপরিবারে বাংলাদেশে ফিরবেন সাকিব আল হাসান।