করোনা আতঙ্কে ত্রস্ত গোটা দেশ।  যেভাবে দ্রুত গতিতে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা তাতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ারও আশঙ্কা করছেন অনেকে। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে করোনা ভাইরাসের। বিদেশ থেকে ফিরলেই পাঠানো হচ্ছে কোয়ারেন্টাইনে।  বাদ যাচ্ছেন না যে কোনও ক্ষেত্রের তারকারা। এবার বিদেশ থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইনে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনর শিখর ধাওয়ান। ব্যক্তিগত কাজে জার্মানি গিয়েছিলেন তিনি। জার্মানি থেকে ফিরেই সরকারের নির্দেশ মত চলে গিয়েছেন কোয়ারেন্টাইনে। সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন ধাওয়ান নিজেই। তাতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন গব্বর।

আরও পড়ুনঃভ্যালেন্সিয়া ফুটবল দলের ৩৫ শতাংশ প্লেয়ার ও সাপোর্টিং স্টাফ করোনা আক্রান্ত

জার্মানি থেকে ফেরার পর প্রশাসনের উদ্যোগে দিল্লি শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় শিখর ধাওয়ান সহ অনেককে। ঘরের বারান্দা থেকে করা একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ধাওয়ান। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওটিতে শিখর ধাওয়ান জানিয়েছেন, ‘শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে আমি সহ সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো বিল্ডিং জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। দিল্লি পুলিশ, মন্ত্রী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সহ সবাই এখানে আছেন এবং নিজেদের কাজ এবং দায়িত্ব পালন করছেন।’ ভিডিওতে শিখর আরও বলেছেন, করোনা সংক্রমণ যেভাবে ছডাচ্ছে এই অবস্থায় দেশে ফেরা নিয়ে ভয়ে ছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে সরকারি উদ্যোগে কোয়ারেন্টইনের ব্যবস্থা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছে ধাওয়ান। একইসঙ্গে তিন বলেছেন, ‘সবাইকে আলাদা ঘর দেওয়া হয়েছে। খাওয়ার জল, সুস্বাদু খাবার, নতুন জুতো, মশা তাড়ানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাই আছে। সরকার সব ব্যবস্থাই করেছে।’

আরও পড়ুনঃকরোনায় আক্রান্ত জুভেন্তাসের আরও এক ফুটবালর, টেস্ট রিপোর্ট পজেটিভ মাতুইদির

আরও পড়ুনঃকরোনায় আক্রান্ত ইউরো, বছরভরের মতোই প্রতিযোগিতা পিছিয়ে দিল উয়েফা

এছাড়াও ভিডিওটিতে গোটা ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছেন শিখর ধাওয়ান। নাম করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসাও করেছেন গব্বর। জার্মানির থেকেও ভারত সরকারের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা ভাল বলেও ভিডিওটিতে জানিয়েছেন ভারতীয় দলের এই মারকুটে ওপেনার। আপাতত দিল্লি শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে ওই বিল্ডিংয়ে কোয়ারেন্টাইনে থাকা সকলকে পর্য়বেক্ষণে রাখবেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে তাদের করোনা পরীক্ষাও করানো হতে পারে।