করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে গোটা দেশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধামন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর জাকে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। এছাড়াও দশের বিপদের সময় সাহায্যের জন্য পিএম কেয়ার্সফান্ডও গড়েছেন মোদী। রাজ্যসরকারগুলিও আলাদা করে ত্রাণ তহবিল গঠন করেছে। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা যথাসাধ্য অনুদান দিচ্ছেন কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারের তহবিলে। পিছিয়ে নেই ক্রিকেটারও। দিন কয়েক আগেই ৫০ লক্ষ টাকা টাকার চাল দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ড সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, এবার প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষের খাবার ব্যবস্থার দায়িত্ব নিলেন বাংলার মহারাজ।

আরও পড়ুনঃকরোনার কোপে ৮ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারের বিয়ে, আপাতত স্থগিত তাদের সাত পাকে বাধা

শনিবার গুরুসদয় রোডের ইসকন মন্দির যান সৌরভ। মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গরীব মানুষদের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছেন মহারাজ। এদিন বেশ কিছু দরিদ্র মানুষকে চাল দান করা হয়। পাশাপাশি মন্দির কর্তৃপক্ষকে একহাজার কিলো চাল তুলে দেন তিনি। শনিবার থেকে শুরু করে লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত প্রতিদিন মন্দির কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যয়ের ফাউন্ডেশন। লকডাউনের বাকি দিনগুলি সৌরভের ফাউন্ডেশন প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবে। এমনিতেই কলকাতার ইস্কন মন্দির থেকে প্রতিদিন ১০ হাজার মানুষকে প্রসাদ দেওয়া হয় । কিন্তু সেই সংখ্যাটা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিলেন মহারাজ। তিনি বলেন এখন থেকে অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার দুঃস্থ মানুষকে প্রতিদিন অন্ন দেবেন তিনি। ইস্কন মন্দির থেকে প্রতিদিন সেই অন্ন ২০ হাজার দুঃস্থদের বিতরণ করা হবে। গোটা দেশে ইস্কন মন্দির থেকে ৪ লক্ষ গরীব মানুষকে প্রতিদিন অন্ন দেওয়া হয়। এবার এই উদ্যোগে যুক্ত হলেন বিসিসিআই সভাপতি।  সৌরভের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে ইস্কন কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃকরোনার কোপে স্থগিত হয়ে গেল ফিফা অনুর্ধ্ব ১৭ ও ২০ মহিলা বিশ্বকাপ

আরও পড়ুনঃঅস্থায়ী করোনা পরীক্ষা কেন্দ্রের রূপ দেওয়া হচ্ছে এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডকে

উল্লেখ্য এর আগে বেলুড় মঠে গিয়েও দুহাজার কিলো চাল দান করেন সৌরভ। পাশাপাশি করোনা মোকাবিলার জন্য লকডাউনে রুটি-রুজি হারানো গরীব মানুষদের পাশে দাঁড়াতে সৌরভ রাজ্যের ত্রাণে ৫০ লক্ষ টাকার চাল দান করেছেন। এই চাল সরকারী স্কুল মারফৎ গ্রামীণ গরীব মানুষদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশের তথা বাংলার বিপদে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্যোগ খুশি বিশ্ব জুড়ে সৈরভ অনুগামীরা। সৌরভও সকলকে বারবার অনুরোধ করেছেন, ‘লকডাউন’ মেনে চলুন, বাড়িতে থাকুন, একে অন্যের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে সংক্রমণকে আটকান।