ঘরে হোক বা বাইরে, ভারতীয় টেস্ট দলের সব থেকে সফল বিভাগ এখন পেস বোলিং। টেস্ট ম্যাচ বা সিরিজ জেতার জন্য শুধু মাত্র স্পিনারদের দিকে তাকিয়ে থাকার দিন এখন ভারতীয় ক্রিকেটে অতীত। একের পর এক ভারতীয় পেস বোলার উঠে আসছেন দেশের জার্সিতে নিজেদের মেলে ধরার জন্য। বুমরা, উমেশ, সামি ইশান্ত, ভুবনেশ্বর, দীপক চাহার কাকে ছেড়ে কার দিকে তাকাতে হবে সেটা বুঝে ওঠা এখন বেশ কঠিন কাজ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট সিরিজে অশ্বিন-জাদেজার স্পিনকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে সামি উমেশের পেস বোলিং। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজেও একই ছবি। নায়ক দীপক চাহার। 

আরও পড়ুন - ভারতীয় দলে ৪ নম্বরে এবার দেখা যেতে পারে শ্রেয়াস আইয়ারকে

এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ১৪ তারিখ থেকে ইন্দোরে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ইন্দোরের হোলকর স্টেডিয়ামের উইকেট স্পোর্টিং। সেখানে প্রতিভা থাকলে ফসল তুলতে পারবে সব পক্ষ। আর এই কথা শুনে চওড়া হাসি ভারতীয় পেসারদের মুখে। কারণ নতুন বল হোক বা পুরোন বল, উইকেটে সামান্য সাহায্য থাকলে সামিদে আটকাতে নাজেহাল হয়ে পরবে টাইগারদের ব্যাটিং। 

আরও পড়ুন - গোলাপি বলে খেলার টোটকা দিলেন চেতেশ্বর পূজারা

হোলকর স্টেডিয়ামে গত চার বছর থেকে উইকেট তৈরি হয় লাল মাটি দিয়ে। পিচ কিউরেটর সমাদর সিং চৌহান জানিয়েছে, লাল মাটির উইকেটে বাউন্স অনেক বেশি। তাই শুরুর দিকে পেসাররা সাহায্য পাবে। টেকনিকের দিকে থেকে পাকা ব্যাটসম্যানরাও স্ট্রোক খেলতে পারবে। আবার খেলা যত এগিয়ে যাবে ততই উইকেট স্পিনারদেরও সাহায্য করবে। পুরোন বলে থাকছে রিভার্স সুইংয়ের বিকল্প। তবে পিচ নিয়ে যে তাঁর দল ভাবে না সেটা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর রবি সেই বিক্ষ্যাত উক্তি কারও শুনতে বাকি নেই। তাই মাঠে নামার আগেই ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে অ্যাডভান্টেজ ইন্ডিয়া। কারণ অবশ্যই দলের পেস অ্যাটাক। 

আরও পড়ুন - প্রাক্তনীদের অভিনন্দন অধিনায়ক রোহিতকে, দীপকে মুগ্ধ সৌরভ ও সচিন