ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। সচিনের ১৯৯ তম টেস্টে ইডেনে দেশের জার্সিতে প্রথম টেস্ট খেলেছিলেন মহম্মদ সামি। এখন দুজনেই ভারতীয় টেস্ট দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আবার ঘরের মাঠে টেস্ট খেলবেন দুই ক্রিকেটের। ২২ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট ইডেনে। তবে এই ম্যাচটা অন্য ম্যাচ গুলোর থেকে অনেকটাই আলাদা। কারণ ইডেনেই প্রথমবার দিন রাতের টেস্ট খেলা হবে। গোলাপী বলের এই ক্রিকেটে হাতে খড়ি হবে বিরাটদের। আর এই ম্যাচেই বাংলার দুই ক্রিকেটারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

আরও পড়ুন - ঐতিহ্য ও আবেগের ইডেন, এক নজরে ইতিহাসের পাতায় ক্রিকেটের নন্দন কানন

বিরাটরা এখনও গোলাপী বলে ক্রিকেট না খেললেও, সেই অভিজ্ঞতা আছে ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ সামির। ২০১৬ সালে দেশের মধ্যে প্রথম গোলাপী বলের ক্রিকেট আয়োজন করেছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিএবি। সিএবি সুপার লিগের ম্যাচে ফ্লাড লাইটের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান ও ভাবানীপুর ক্লাব। সেই ম্যাচেই মোহনবাগানের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন ঋদ্ধি ও সামি। বর্তমান ভারতীয় দলের পেস বিভাগের তারকা সামি সেই ম্যাচে সাত উইকেট নিয়েছিলেন। এবার ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটেও তেমনই কিছু করে দেখাতে চান সামি। 

আরও পড়ুন - ইডেনে প্রথম দিন রাতের টেস্ট, সমস্যা তৈরি করতে পারে ‘শিশির’

সেই ম্যাচ সম্পর্কে ঋদ্ধি বলছেন, গোলাপী বলে খেলটা সেবারও একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। এবারও সেই চ্যালেঞ্জ আছে। সেই ম্যাচেও সামির বোলিং উইকেটের পছেনে দাঁড়িয়ে সামলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর মতে গোলাপী বলে নজরে রাখা একটু কঠিন। কিন্তু মানিয়ে নিতে পারলে সেই সমস্যা থাকবে না। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে বিশ্বের সেরা টেস্ট বোলিংকে সামলাতে হয় তাঁকে। তাই কিছুটা হলেও বাড়তি সতর্ক পাপালি। তবে টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে দিন রাতের টেস্ট আয়োজন করার উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন ঋদ্ধিমান সাহা। ঘরোয়া ক্রিকেটে গোলাপী বলে খেলার যতটুকু অভিজ্ঞতা আছে, সেটা বিরাটদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান ঋদ্ধিমান। 

আরও পড়ুন - এক বছরেই মাঠে ফিরতে পারেন শাকিব, মানতে হবে আইসিসি’র নিয়ম