ম্যাচ গড়াপেটার জন্য বুকির থেকে একাধিক বার প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও আইসিসি বা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে কিছুই জানাননি বাংলাদেশের অল রাউন্ডার শাকিব আল হাসান। তাই মঙ্গলবার আইসিসি তাঁকে ২ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করেছে। তবে এই ২ বছরের শাস্তির মধ্যেও আছে একটা টুইস্ট। এক বছর শাস্তি পেতেই হবে শাকিবকে। তবে আইসিসির নিয়ম বা গাইড লাইন মেনে চললে এক বছর পর মাঠে ফিরে আসতে পারেন ক্রিকেট বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার। 

আরও পড়ুন - কী কথা হয়েছিল শাকিব ও বুকির মধ্যে, সেই তথ্যও প্রকাশ করল আইসিসি

আইসিসি জানিয়েছে মূলত দুটি বিষয় মাথায় রেখে এই এক বছর এগিয়ে যেতে হবে শাকিবকে। প্রথমত এই এক বছরের আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখার নিময় বা অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন শাখার কোনও নিয়ম ভাঙতে পারবেন না বাংলাদেশি ক্রিকেটার। দ্বিতীয়ত আইসিসির নির্দেশ মত দুর্নীতি দমস শাখার বিভিন্ন ক্লাসে অংশ নিতে হবে শাকিবকে। এই দুই মূল স্বর্ত মেনে চললে এক বছর পরই মাঠে ফিরতে পারেবন শাকিব। কিন্তু অকটু অন্যথা হলেই শাস্তি ২ বছরের। বর্তমান অবস্থা যা বলছে, তাতে শাকিব আগামী এক বছর আইসিসির সব কথা মনে চললে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর আবার ২২ গজে ফিরতে পারেবন। টি-২০ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্বের আগে তাই মাঠে ফেরা হচ্ছে না, ক্রিকেট বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডারের। 

আরও পড়ুন - ২ বছর নির্বাসিত শাকিব আল হাসান,ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব পেয়ে আইসিসিকে না জানানোর শাস্তি

শাকিবের নির্বাসন নিয়ে উত্তাল বাংলাদেশ ক্রিকেট। বিসিবির কর্তা জানিয়েছেন আইসিসি’র কারযকলাপ সম্পর্কে তদন্ত সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারনা ছিল না। শাকিব নিজেও মেনে নিয়েছেন এই আইসিসির দেওয়া শাস্তি। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন এমসিসি’র ক্রিকেট কমিটি থেকেও। তবে শাকিব এক বছর পর ফিরে আসবেন মাঠে, এই আশাই করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অধিনায়ক মাশরাফি মোর্তাজা বলছেন ২০২৩ বিশ্বকাপে শাকিবের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে। বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়কও দাঁড়িয়েছেন শাকিবের পাশে। এখন দেখার শাকিব এক বছরেই মাঠে ফিরে আসতে পারেন কি না। 

আরও পড়ুন - সভাপতি সৌরভের দাদাগিরি, ইডেনেই ভারতের প্রথম দিন রাতের টেস্ট